যেসব বিষয় বিবেচনায় না নিলে বাজেট হতে পারে ফাঁপা স্বপ্নের দলিল
বাজেট মৌসুম এলে বিশেষজ্ঞদের সেমিনার, অর্থনীতিবিদদের সংবাদ সম্মেলন আর সংগঠনগুলোর স্মারকলিপিতে দেশ সয়লাব হয়ে যায়।
মতামত ও বিশ্লেষণ
বাজেট মৌসুম এলে বিশেষজ্ঞদের সেমিনার, অর্থনীতিবিদদের সংবাদ সম্মেলন আর সংগঠনগুলোর স্মারকলিপিতে দেশ সয়লাব হয়ে যায়।
লেবাননে ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্রকে করে আবারও মুখোমুখি ইরান ও ইসরায়েল। ট্রাম্পের আহবানকেও তোয়াক্কা করছেন না নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত আজ গভীর সংকট অতিক্রম করছে। একদিকে চিকিৎসা ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো কাঙ্ক্ষিত মানের সেবা নিশ্চিত করতে পারছে না।
বাজেট নিয়ে অনেক কথা বলেছি অতীতে। সামান্য কিছু কাজ হয়েছে। প্রান্তিক অনগ্রসর মানুষ আর জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরিখে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছিল উপেক্ষা আর নিদারুণ অবহেলা।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। তিনি শক্তি প্রয়োগ, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এমন বাস্তবতাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার চেষ্টা করেন। নিজের টিকে থাকার লড়াইয়ে যুদ্ধই তাঁর একমাত্র কৌশলগত হাতিয়ার।
গত ২৭ মে রাজধানীর মগবাজারে আদ্দ্বীন হাসপাতালে একই দিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।
২ জুন ২০২৬ তারিখে মুক্তকণ্ঠ পত্রিকার ছাপা সংস্করণে মুহাম্মদ জামালুদ্দীন লিখিত ‘সৌরবিদ্যুৎ যেভাবে বাংলাদেশের জন্য বিরাট সম্ভাবনা’ শীর্ষক অভিমত-বিশ্লেষণে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে।
একসময় আমাদের স্বাস্থ্য খাতের বড় রূপকল্প বা ভিশন ছিল ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ (ইউএইচসি) নিশ্চিত করা।
বৈষম্যমূলক উন্নয়ননীতির কারণে গ্রাম-মফস্সল থেকে নগরমুখী জনস্রোত আর চূড়ান্ত অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলাফল হচ্ছে বাসযোগ্যতার দিক থেকে বিশ্বে তলানিতে থাকা নগর ঢাকা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মা ও স্ত্রীর সামনে নির্যাতনের যে চিত্র সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠের সংবাদে উঠে এসেছে, তা আইনের শাসন কার্যকর আছে, এমন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগজনক।
পুতিন পাকিস্তানকে এমন একটি জানালা হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা প্রবাসী কর্মীরা। আমরা তাদের গর্ব করে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বলি। কিন্তু একটু বুকের ওপর হাত রেখে ভাবলে প্রশ্ন জাগে-আমরা কি সত্যিই তাদের জন্য একটি ন্যায্য, নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?