মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার কারণ কী
গত কয়েক সপ্তাহে ১৮ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য’ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন মেডিক্যাল শিক্ষার্থী।
মতামত ও বিশ্লেষণ
গত কয়েক সপ্তাহে ১৮ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য’ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন মেডিক্যাল শিক্ষার্থী।
‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’
এবারের পয়লা বৈশাখে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে একটি নির্দিষ্ট সামাজিক মুহূর্তের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে, যেখানে মানুষের অনুভূতি, আস্থা ও পরিস্থিতি একসঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।
মধ্যযুগে তুরস্কের এক বাদশাহ নিজের চেহারাসুরত নিয়ে খুব অহংকারে ভুগতেন। তিনি তাঁর সভাসদ মোল্লা নাসিরুদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমার এই সুন্দর দেহ নিয়ে আমি যদি ক্রীতদাসের বাজারেও দাঁড়াই, তাহলে বলো তো হে আমার মূল্য কত হবে?’
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়, যুদ্ধবিরতি ও পরবর্তী পরিস্থিতিতেও তার আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হয়নি।
কক্সবাজারের লবণচাষিরা আজ বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। একদিকে উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম দাম, অন্যদিকে প্রকৃতির বৈরী আচরণ—এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে প্রান্তিক চাষিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
যেকোনো যুদ্ধে শুধু অস্ত্র নয়, সময়ও একটি বড় শক্তি। ক্যালেন্ডার অনেক সময় কামানের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। উপসাগরজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতেও এ বাস্তবতা স্পষ্ট। এখানে তিনটি দেশ শুধু একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছে না, তারা লড়ছে সময়ের সঙ্গেও। প্রতিটি পক্ষের নিজস্ব রাজনৈতিক সময়সীমা আছে, আর সেই সময়সীমাই তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।
প্রশ্ন ওঠে, হজ কি এখন তাহলে শুধু বিত্তশালীদের সংরক্ষিত সুবিধা? ২০১৫ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ছিল তিন লাখ টাকার নিচে। এক দশকের ব্যবধানে ২০২৬ সালে এসে একই মানের খরচ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ টাকার কাছাকাছি। গত ১০ বছরে হজের খরচ বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। অথচ এই সময়ে দেশের মানুষের গড় আয় কি দ্বিগুণ হয়েছে?
যদি সরকার ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তুলে ক্ষুদ্র ব্যবসাকে অর্থায়নের মূলধারায় আনতে পারে, তাহলে কোটি কোটি উদ্যোক্তা অর্থনীতির নতুন শক্তিতে পরিণত হবে।
একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে রাজনৈতিক সরকারগুলো তো বটেই, অন্তর্বর্তী সরকারও তাদের সন্দেহাতীত অঙ্গীকার দেখাতে পারেনি।
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
ইন্টারনেট বন্ধ বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে।