পার্বত্য মন্ত্রীর ঝটিকা পদত্যাগ এবং পাহাড়ে নানা জল্পনা–কল্পনা
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ঝটিকা পদত্যাগের বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চল ছাড়িয়ে সারা দেশে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ঝটিকা পদত্যাগের বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চল ছাড়িয়ে সারা দেশে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
নাগরিকের জীবনমান উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ–সুবিধার নিশ্চিয়তা সহ একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্যারিশমাটিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব একটি প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে। স্বাধীনতার পর থেকে এর অভাব আমরা অনুধাবন করছি।
পৃথিবীতে যেমন একদিকে দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, বাস্তববাদী মধ্যস্থতাকারী ও পেশাদার কূটনীতিক আছেন, তেমনি আরেক দিকে আছেন কিছু নির্বোধ।
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে সামাজিক সুরক্ষার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়নের ওপর।
এখন জরুরি প্রশ্ন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ কি আসলেই ‘ফিরে এসেছে’? ২ জুন মুক্তকণ্ঠয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের ‘নিষিদ্ধ দল যখন টক অব দ্য কান্ট্রি’ শীর্ষক একটি অভিমত প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গ্রাম-শহর সর্বত্র নাকি আওয়ামী লীগের ফেরার আলাপ শুরু হয়ে গেছে!
আর এ নির্বাচনে যদি এসপ্রিয়েলা জয়ী হন, তাহলে কলম্বিয়া একই সঙ্গে একজন কলম্বিয়ান ও মার্কিন নাগরিককে তাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ কীভাবে এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্যচুক্তির ফাঁদে পড়েছে, তা নিয়ে লিখেছেন মাহা মির্জা
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ১০০ দিন অতিক্রম করেছে। যেকোনো নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিন সাধারণত তার রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, শাসনদর্শন, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সংস্কার-রূপরেখা বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।
বিশ্বের প্রায় সর্বত্র উগ্র জাতীয়তাবাদের কদর এখন। এই মতাদর্শের বড় এক উপাদান ‘অপর’কে অশান্তিতে রাখা। এটাই অনেক অঞ্চলে তার জনপ্রিয়তার জাদু।
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আদালত চার কার্যদিবসে রায় ঘোষণা করেছেন।
রাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি নাগরিক অধিকারের একটি ন্যূনতম স্বীকৃতি।
আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।