জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক রূপান্তর
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কৌশলগত ভিত্তি নির্মাণ এবং স্বতন্ত্র গতিপথ নির্ধারণের অন্যতম প্রধান স্থপতি হলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
মতামত ও বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কৌশলগত ভিত্তি নির্মাণ এবং স্বতন্ত্র গতিপথ নির্ধারণের অন্যতম প্রধান স্থপতি হলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
পারস্য উপসাগরে সামরিক উত্তেজনা আবার বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে গত এপ্রিল থেকে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা পুরোপুরি ভেস্তে গেছে।
হবিগঞ্জের কাশীপুর গ্রামের মানুষ ২ জুন একটি ফুটবল ম্যাচ দেখছিল। সেটি ছিল স্থানীয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক তরুণদের প্রীতি ম্যাচ।
সামাজিক তথ্যমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে হাত বাঁধা তিনজন নারী দাঁড়িয়ে আছেন।
পাকিস্তান নিজের ভূখণ্ডে জ্বালানি সংরক্ষণের সুবিধা ভাড়া দেওয়ার কথা ভাবছে। এর লক্ষ্য, হরমুজ বন্ধ থাকলেও যাতে ক্রেতারা বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি পেতে পারে।
ড. সেলিম রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সানেমের (সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং) নির্বাহী পরিচালক।
সমুদ্রের তাপমাত্রার বৃদ্ধিকে পেরু আর ইকুয়েডরের আদিবাসীরা আদর করে নাম দিয়েছিল ‘এল নিনো’ বা ‘খোকাবাবু’।
সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা করছে ভারত। এ নিয়ে বিভিন্ন সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এই পুশ ইনের চেষ্টা
দেশের অন্যতম প্রধান সবজিভান্ডার হিসেবে পরিচিত পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে কাঁচা মরিচের ব্যাপক ও বাম্পার ফলন হয়েছে।
এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে যে দলই ট্রফি জিতুক না কেন, তাদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেবেন কাতার এয়ারওয়েজের কেবিন ক্রুরা। উপসাগরীয় অঞ্চলের এই বিমান সংস্থার সঙ্গে ফিফার সর্বোচ্চ স্তরের অংশীদারত্ব চুক্তি রয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।
গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারাও নানা সময়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু এই প্রকাশ্য নিন্দার আড়ালে বাস্তব চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন।
পুতিন ও ট্রাম্প এগিয়ে চলেছেন। তাঁরা ইউক্রেন বা ইরানে ব্যর্থতা স্বীকার করতে পারছেন না, আবার বিজয়ের পথও খুঁজে পাচ্ছেন না। এই ‘অন্তহীন যুদ্ধের’ মূল্য প্রতি মাসে বাড়ছে। আর ইতিমধ্যে মস্কো ও ওয়াশিংটন ডিসিতে রাজনৈতিক বিদ্রোহের সূচনা দেখা যাচ্ছে।