
জামায়াতের আমির ঠিক বলেননি...
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান আল–জাজিরার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কখনো একজন নারী তাঁর দলের প্রধান হতে পারবেন না। কেন?
মতামত ও বিশ্লেষণ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান আল–জাজিরার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কখনো একজন নারী তাঁর দলের প্রধান হতে পারবেন না। কেন?

বাংলাদেশের প্রায় সব নির্বাচনের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, ভোটের আগে ও পরে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার বা সিজারিয়ান সেকশনের হার যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাকে কেবল ‘উদ্বেগজনক’ বললে ভুল হবে; এটি এখন একটি জাতীয় স্বাস্থ্যসংকটে রূপ নিয়েছে।

এখন, কিউবার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে জটিল হয়ে উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, কিউবার স্বঘোষিত বন্ধুরা তাদের ঘাড় সত্যিকার অর্থে সোজা রাখতে পারে কি না, দেশটির ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া ঠেকাতে।

মধ্য মাঘের শীতলতাকে ছাড়িয়ে এখন উষ্ণতা ছড়াচ্ছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শুরু থেকেই কী এক অজ্ঞাত কারণে এই নির্বাচন আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি ছিল জনমনে।

গত দুবারের খানা জরিপে একবার ৬৩ শতাংশ, আরেকবার ৭১ শতাংশ গরিব মানুষ নিয়ে দারিদ্র্যের শীর্ষে কুড়িগ্রাম জেলা। গত ১৬ মাসে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নতুন করে নিবন্ধন পেয়েছে ২৫০টির মতো। তার মধ্যে রংপুর বিভাগ চার–পাঁচটিও পায়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন এবং বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর তৎপরতা নিয়ে কথা বলেছেন জিল্লুর রহমান

অনেক বিদেশি সংবাদমাধ্যম বিএনপির জয় প্রায় নিশ্চিত বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, ফলাফল এই প্রত্যাশার বিপরীতও হতে পারে।

ভারত আর চীনের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা আর স্বার্থরক্ষার নামে আরও বেশি আগ্রাসী হবে না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন আসিফ বিন আলী

দুঃখজনক হচ্ছে, তাঁদের উদ্ধারে কার্যকর কোনো তৎপরতা নেই। অসহায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশেও দাঁড়ানোর কেউ নেই।

বিরিয়ানি, গেঞ্জি, ক্যাপ এসব দিয়ে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো হয়েছে। এতে কী বার্তা গেল। সুন্দরবন কি এমন জায়গা, যেখানে চড়ুইভাতি করে ফিরে আসা যায়!

‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।