শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার পথটি নিরাপদ হবে কবে?
মেয়েশিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াতের পথে যৌন হয়রানি এবং সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও উন্নয়নকর্মী নিশাত সুলতানা।
মতামত ও বিশ্লেষণ
মেয়েশিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াতের পথে যৌন হয়রানি এবং সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা তুলে ধরে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও উন্নয়নকর্মী নিশাত সুলতানা।
মক্কা জোটের প্রতিরক্ষা চুক্তি, জাজান হামলা এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
গত ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধের বার্ষিকী নীরবেই পার হয়ে গেল—দিনটি নিয়ে অনুচ্চারিত এই নীরবতার পেছনে লেখক ইতিহাস-শিক্ষা ও রাষ্ট্র-সমাজের প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছেন।
এসএসসির ফল প্রকাশের পর ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ ও নম্বর একসঙ্গে প্রকাশের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ ও দ্বৈত মানদণ্ডের বিষয়টি নিয়ে মতামত।
গত বছর ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৩৩ লাখ, কিন্তু সংখ্যাটি ২০৫০ সাল নাগাদ নেমে দাঁড়াবে ৩ কোটি ১০ লাখে।
গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা ও আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট মালিকদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলায় হাজারো শ্রমিক চাকরি হারান। তখন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের মুখে শোনা গিয়েছিল ‘জবের বন্যা’ আসবে, বিদেশি বিনিয়োগ আসবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।
ওমরাহ শেষে সাফসুতরো হয়ে মক্কার আল-সাফা রাজপ্রাসাদের দরবারকক্ষে এলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সঙ্গে ছিলেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এক দিন আগেই আঙ্কারা থেকে পৌঁছেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিন নেতা ৭ আগস্ট দুপুরে ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেন।
এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল শুধু উদ্বেগজনক নয়, শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব চিত্রেরও প্রতিফলন।
মেহেরপুরের তিনটি সরকারি হাসপাতালে দেড় মাস ধরে অবেদনবিদ না থাকায় অস্ত্রোপচার বন্ধ। প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বাঁকিপুরে ‘জন সূরাজ’ দলের জয় বিজেপির দীর্ঘদিনের দাপটকে প্রশ্নের মুখে তুলেছে। তবে এই সাফল্য শেষ পর্যন্ত কতটা নতুন রাজনৈতিক বিন্যাস তৈরি করবে—তা নির্ভর করবে সামনের চাপ ও মূল ইস্যুগুলো এড়ানো কতদূর সম্ভব হয় তার ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট প্রাইমারিতে আবদুল এল-সাইয়েদের জয় একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
যে আওয়ামী লীগের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে রিকনসিলিয়েশনের আলাপ চলমান, সেই তারাই আবার জুলাইয়ে তাদের ভূমিকা নিয়ে যখন একধরনের ডিনায়াল বা অস্বীকারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন রিকনসিলিয়েশনের আলাপ কতটা যৌক্তিক সে প্রশ্নও আমাদের সামনে আসছে।