
মহাসড়কে ডাকাতি
ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পাথর নিক্ষেপ কিংবা রাস্তায় গাছ ফেলে গাড়ি থামানোর মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ

ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পাথর নিক্ষেপ কিংবা রাস্তায় গাছ ফেলে গাড়ি থামানোর মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে।

ট্রাম্পের যুক্তি হলো, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি না থাকলে চীন ও রাশিয়া সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে। এতে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে।

‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।

নির্বাচনের প্রচারণা ভালোই এগোচ্ছে। এখন পর্যন্ত মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চলছে।

নেতার স্বভাব রূঢ় হবে না। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হে নবী! আপনি যদি কর্কশভাষী, রূঢ় প্রকৃতির ও কঠোর স্বভাবের হতেন, তবে লোকেরা আপনার আশপাশ ছেড়ে চলে যেত।’

রোজই আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ শোনা যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখি, কমিশন প্রার্থীদের সাবধান করে দেয়। কেউ কেউ জরিমানাও দিচ্ছেন। তাতে খুব একটা কাজ হচ্ছে বলে মনে হয় না।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সংঘর্ষ ও প্রাণহানি দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত। এ ছাড়া বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়া, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংসতার প্রবণতা বাড়ছে।

ব্যাপারটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে ধরে নেওয়া যেত, কিন্তু সেই সুযোগ আমাদের হাতে নেই। কেননা, এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও কাঠামোগত হত্যাকাণ্ডের আরেকটি দৃষ্টান্ত।

সৌদি আরব, মিসর, ওমান ও কাতার ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতা করছে। তারা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা করছে।

নেতৃত্বে এমন অস্থিরতা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময়ের পর আর দেখা যায়নি। তাই একটি প্রশ্ন এখন অত্যন্ত জরুরি। ঝাং ও লিউ কেন পতিত হলেন এবং এরপর কী ঘটতে পারে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাংলা সংস্কৃতি ও রাজনীতি নানা ধরনের বাইনারিতে (দ্বন্দ্বে) আবদ্ধ। এখানে ‘হয় তুমি এই পক্ষের, নয় তুমি ওই পক্ষের’।

শিশুকে নানা কৌশলে ভয় দেখানো, অপমান করা, মাত্র প্যান্ট পরতে শেখা শিশুটির প্যান্ট টেনে খুলে দিয়ে আনন্দ পাওয়া; সামান্যতেই কান ধরে ওঠবস করানো বা মাটির সঙ্গে নাক ঘষতে বাধ্য করা—এসব অনাচারকে অনেক অভিভাবক ‘সামান্য শাস্তি’, ‘স্বাভাবিক’ বা ‘প্রথা’হিসেবে মেনে নেন।