
গণমাধ্যম সংস্কারে চাপ নয়, দরকার সূক্ষ্মতা
বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ

বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।

এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন।

বাংলাদেশ আবার একটি বড় নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে। এখন রাজনীতি শুধু সভা–সমাবেশ, লিফলেট–ব্যানার আর টিভিতে সীমাবদ্ধ নয়। আলোচনা অনলাইনে অনেক আলোচনা হয়। এই জায়গায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী) বড় ভূমিকা রাখছেন।

গত ২১ জানুয়ারি গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি জনগণের শান্তি, স্বস্তি, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের ২৫ দফার ইশতেহার প্রকাশ করে। এতে জাতি-ধর্ম-লিঙ্গ-বিশ্বাস-শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে মানুষের জীবনের শান্তি-স্বস্তি–নিরাপত্তার সংকটগুলোকে চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ প্রস্তাব করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা নিয়ে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা ততই বাড়ছে।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ, বিশেষত ইতালি যাওয়ার পথে বাংলাদেশি তরুণদের নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়।

অপরাধীর সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে তাজির শাস্তির ভিন্নতা অনুমোদন করা হয়েছে। অনেক প্রতিবেদনে এটিকে জাতভিত্তিক বা শ্রেণিভিত্তিক শাস্তিব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রচারণা শুরু করেছে। এখন ভোটের রাজনীতি কেবল শহরের টক শো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়।

ব্যাপক সামরিক মোতায়েন এবং ফিলিস্তিনি ও বিদেশি শ্রমিকদের ওপর বিধিনিষেধের কারণে কৃষি খাতে শ্রমিকসংকট তৈরি হয়েছে। ফল ও সবজির চাষ ও সংগ্রহ ব্যাহত হয়েছে।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি গভীর দুর্বলতা সামনে এনে দিয়েছে।

সম্প্রতি কক্সবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক ডুলাহাজারায় গিয়েছিলাম।

২৫ জানুয়ারি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ–২০২৬’ শিরোনামে ২০২৪–এর গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।