হাসিনা আমলের পরিবেশ–বিধ্বংসী প্রকল্প এখনো কেন চলছে
পরিবেশ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে সব সময় এ ধরনের বিপরীতমুখিতা তৈরি করে দেশের জনজীবন পর্যুদস্ত করে তোলা হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ
পরিবেশ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে সব সময় এ ধরনের বিপরীতমুখিতা তৈরি করে দেশের জনজীবন পর্যুদস্ত করে তোলা হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গু সবচেয়ে বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে শিশু, তরুণ, কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল মানুষের। ডেঙ্গুর কারণে এই বয়সী মানুষের মৃত্যু শুধু পারিবারিক শোক নয়, এটি অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতার ওপর সরাসরি আঘাত।
গত কয়েক দশকে রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের গুরুত্ব যেমন কমেছে, আবার মাত্রাটাও অনেকটা ক্ষয় হয়েছে। বিপরীতে চীনের সঙ্গে রাশিয়া তার সম্পর্ককে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে।
নেপালে যা ঘটেছে ২০০৮ সালে, বাংলাদেশে সেটা হয়েছে ২০২৪ সালে। বাংলাদেশ ও নেপালের পরিস্থিতির তুলনামূলক আলোচনা করে লিখেছেন মানজুর-আল-মতিন
একবিংশ শতাব্দীতে এ পর্যন্ত ১২ জনের মতো রাজনীতিবিদ যে প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ছিলেন, সেই হিসাবই বলে দেয় কতটা দ্রুত ক্ষমতার রদবদল জাপানে ঘটছে।
‘বঙ্গভ্যাক্স’ টিকার মাধ্যমে দেশের মানুষ তাঁর নাম জানতে পারে। দেশের প্রথম বায়োলজিকস তাঁর ও তাঁর দলের গবেষণার ফল। ওষুধশিল্প নিয়ে তিনি কথা বলেছেন মুক্তকণ্ঠর সঙ্গে।
বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে আছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের প্রধান নিশানাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে ভারত।
আজ উৎপাদন খরচের তুলনায় লবণের দাম অনেক কম। চাষিরা প্রতি মণ ৪০ কেজি ধরলেও মহাজনেরা নেন ৬০ কেজি হিসাবে। সরকারের কোনো নির্ধারিত মাপকাঠি নেই, তদারকিও নেই।
৯৯৯–এ কল করে যদি ৫ মিনিট ধরে আমাদের বোঝাতে হয়, আমি কোন গলির কোন পানির ট্যাংকের নিচে, তাহলে তো সেটা আর ইমার্জেন্সি কল থাকল না।
বিশেষত ভারত ও শ্রীলঙ্কা যেখানে শিক্ষকতা পেশাকে উচ্চ মর্যাদা ও প্রতিযোগিতামূলক বেতনে মূল্যায়ন করছে, সেখানে বাংলাদেশ পিছিয়ে যাচ্ছে।
এরই মধ্যে এআই বহু নিয়মিত কাজ স্বয়ংক্রিয় করে ফেলেছে। আগে যেসব কাজে লাইন ম্যানেজারের অনেক সময় ব্যয় হতো, এখন সেগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদেশি ঋণনির্ভর মেগা প্রকল্পের বদলে জনগুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রকল্প নেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে আগের মতোই বিদেশি ঋণনির্ভর মেগা প্রকল্প গ্রহণ অব্যাহত আছে।