একটি দায়িত্বশীল বিরোধী দলের খোঁজে
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজপথ গণতন্ত্রের প্রধান অস্ত্র ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজপথ নিয়মিত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হতে পারে না।
মতামত ও বিশ্লেষণ
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজপথ গণতন্ত্রের প্রধান অস্ত্র ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজপথ নিয়মিত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হতে পারে না।
হামলার ঘটনার আগের দিন চরখানপুরে দুই রাখাল একটি শিয়াল মেরে ফেলে। চারটি শিয়াল দূরে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখে। ওই দিন রাতেই শিয়ালের দল এসে বাথানে হামলা করেছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে এর আগে কখনো এ রকম দুটি নির্বাচন একত্রে হয়নি।
ভেনেজুয়েলায় ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলব’ (পরম সমাধানের খোঁজে অভিযান) এর পর মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্য ইরান।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা, মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ না হওয়ায় প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, সেটি নিরসনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ে কাঠবোঝাই ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় তিনজনের প্রাণহানির ঘটনায় সড়কে আরেকটি বিশৃঙ্খলার ঘটনা সামনে এসেছে।
অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।
দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক অবিশ্বাসের পেছনে বড় কারণ সার্কের অচলাবস্থা।
২০২৫ সালজুড়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরোপের নিরাপত্তাকাঠামো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত রাখা।
গ্রামীণ ও শহর জীবনে শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানো একটি চিরচেনা দৃশ্য।
নিউইয়র্ক শহরটা আমার বরাবরই খুব প্রিয়। ওখানে গেলেই আমি স্বভাবতই পুরোনো বুকস্টোরগুলোর দিকে চলে যাই। বার্নস অ্যান্ড নোবেলের ঝকঝকে স্টোরগুলো থেকে ওই পুরোনো তাক, ধুলা জমা বই, মানুষের হাতের আঁকিবুঁকি লেখা মার্জিন নোট আমাকে বেশি টানে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ইরানে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ৪০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন তাঁর বড় ছেলে রেজা পাহলভির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তেলসমৃদ্ধ হাজার বছরের পুরোনো সেই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনিই ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজের ‘জন্মগত অধিকার’ হারানোর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর ৬৫ বছর বয়সে এসে পাহলভির অপেক্ষার প্রহর হয়তো শেষ হতে চলেছে।