অন্তর্বর্তী সরকার কোথায় সফল, কোথায় ব্যর্থ
সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায়। গত ১৬ মাসেও মব–সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ
সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায়। গত ১৬ মাসেও মব–সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে কোনো দল যদি মনে করে জয় তাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, সেটাও আত্মঘাতী হতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে এখন বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে তিন চাকার অবৈধ যান, অটোরিকশা ও নছিমন-ভটভটির দাপট। শিশুদের পথচারী হিসেবে মৃত্যুর পেছনে এসব ছোট ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের দায় সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্ন হলো, কেন একটি চক্র দিনের পর দিন মানুষের জীবন নিয়ে এমন নিষ্ঠুর খেলা চালিয়ে যেতে পারছে।
গত এক সপ্তাহে এমন কিছু উদ্ভট বামপন্থীকে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল না, যারা ইরানের প্রতিবাদকারীদের সাম্রাজ্যবাদের অসহায় হাতিয়ার বলে আখ্যা দেয়। এদের কেউ কেউ আবার নিকোলা মাদুরো যে স্বৈরশাসক, সেটা স্বীকার করতে চায় না। তারা খামেনি বা মাদুরোর প্রশংসা না করলেও তাদের শাসনব্যবস্থার পতনও চায় না।
ইরান এখন যে পথে হাঁটছে, সেই পথে এর আগেও অনেকবার হেঁটেছে দেশটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশটির রাজপথগুলো মানুষের ক্ষোভ, আর্তচিৎকার আর হঠাৎ নেমে আসা নীরবতার সাক্ষী হয়ে আছে। এখানকার নাগরিকদের কাছে আন্দোলন তাই নতুন কিছু নয়।
এই শতকের শুরুতে, যখন ভারত বিশ্ব অর্থনীতির এক উজ্জ্বল তারকা হিসেবে মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তখন দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোয় এক কালো ছায়া নেমে আসে। সেটি হলো মাওবাদী বিদ্রোহ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসে আছি, একটি কৃষ্ণচূড়াগাছের তলায়। শেষ পৌষের দুপুর। শাল, দেবদারু, মেহগনি, মেঘশিরিষ,, বট-পাকুড়—কত ধরনের বৃক্ষ চারদিকে।
আসন্ন গণভোটে জনগণ যেন ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করে, সে জন্য অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ের সর্বত্র ইতিমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছে।
ট্রাম্প বলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ডকে ‘নিরাপদ’ করতে চান। বাস্তবে তিনি চান এর খনিজ সম্পদ এবং আমেরিকাকে আবার বড় করতে।
‘দশে মিলি করি কাজ/ হারি জিতি নাহি লাজ।’ সম্ভবত এটি খনার বচন। কথা হলো, কেউ হারতে চায় না।
মানবজীবনের চালিকা শক্তি হলো প্রজ্ঞা বা জ্ঞান। প্রজ্ঞা মানুষের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং আল্লাহ তাআলা প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধিত হয় শিক্ষার মাধ্যমে।