আন্দোলন যেন ঢাকার যাত্রীদের ‘জিম্মি’ করার সমার্থক না হয়
ঢাকার এই যানজটের কারণে দৈনিক নষ্ট হয় প্রায় ৮২ লাখ কর্মঘণ্টা। অর্থমূল্যে যা দৈনিক প্রায় ১৩৯ কোটি এবং বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকার অধিক।
মতামত ও বিশ্লেষণ
ঢাকার এই যানজটের কারণে দৈনিক নষ্ট হয় প্রায় ৮২ লাখ কর্মঘণ্টা। অর্থমূল্যে যা দৈনিক প্রায় ১৩৯ কোটি এবং বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকার অধিক।
প্রতি বছরের মতো গত ৩১ ডিসেম্বরও দিবাগত রাতে ঢাকাসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে যা ঘটল, তাকে কোনোভাবেই উৎসব বলা চলে না।
অনেকেই ভাবেন, ‘একটা গাছ লাগালে কী হবে? কিন্তু বড় পরিবর্তন সব সময় একজন মানুষ থেকে শুরু হয়।
ইতিহাসের ধোপে সেসব রায় কি টিকেছে? যাদেরকে অপরাধী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছিল, বিশ্বমানবতা ও ইতিহাস তাদেরই দিয়েছে অপরিমেয় মহিমা।
২০২৫ সালে এই সঞ্চিত চাপ আর উপেক্ষা করা যায়নি। বিশেষ করে যেসব দেশ একসময় বিশ্ব শাসন করত, সেই সব দেশে এই চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মাঠে দাঁড়ালেন কর্মীদের কাতারে। পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার আর নির্যাতন কিছুই তাঁকে টলাতে পারেনি। আপসহীন শব্দটি ধীরে ধীরে হয়ে উঠল তাঁর নামের সমার্থক।
জান্নাতি লোকদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা আল্লাহর মহব্বতে অভাবগ্রস্ত, ইয়াতিম ও বন্দীদের আহার্য প্রদান করে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীরভাবে একটি উদ্বেগজনক গুজব ছড়ানো হয়, যেখানে দাবি করা হয় যে বেগম খালেদা জিয়া নাকি আরও আগেই মারা গিয়েছিলেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর মৃত্যুসংবাদ ‘পরে ঘোষণা’ করা হয়েছে। এই দাবি শুধু যে নির্জলা মিথ্যা তা নয়; বরং এটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং আমাদের সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও ক্ষতি করে।
২০২৫ সালের এপ্রিলে যখন কেটি পেরি ও আরও পাঁচ নারীকে জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন রকেটে মহাকাশে পাঠানো হলো, তখন আয়োজকদের ধারণা ছিল।
চব্বিশের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান–পরবর্তী সরকার নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা ছিল এককথায় আকাশচুম্বী। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে যে অপ্রাপ্তি, বৈষম্য আর অন্যায়ের পাহাড় জমেছিল, সরকার পরিবর্তনের পর তার সবটুকুর প্রতিকার রাতারাতি হয়ে যাবে—মানুষ হয়তো এমনটাই মনে করেছিল।
এই জানাজা আমাদের সামনে যে সত্যটি উন্মোচন করে, তা কেবল রাজনীতির নয়, এটি রাষ্ট্রচিন্তার গভীরতম স্তরের সত্যকেও তুলে ধরে।
বড়দিনের হামলাগুলো সম্ভবত লাকুরাওয়া নামের তুলনামূলক নতুন একটি আদর্শিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তবে এ গোষ্ঠীর প্রকৃত পরিচয় এবং আইএসআইএলের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।