এটি কি শান্তিমঞ্চ নাকি ‘সম্রাট’ ট্রাম্পের দরবার
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আগে যাঁরা ব্যবসা করতে গেছেন, তাঁদের মতো জাতিসংঘও এখন এক পরিচিত কৌশলের শিকার।
মতামত ও বিশ্লেষণ
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আগে যাঁরা ব্যবসা করতে গেছেন, তাঁদের মতো জাতিসংঘও এখন এক পরিচিত কৌশলের শিকার।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে কৃষি নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই কৃষিব্যবস্থার পেছনে রয়েছে লক্ষ মানুষের পরিশ্রম।
সংরক্ষিত জলাশয় কিংবা বনের জন্য খুব বেশি টাকার প্রয়োজন হবে, এমনটাও নয়। দেশে যেহেতু অসংখ্য জলাশয় আছে, তাই প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে জলাশয়কে সংরক্ষিত ঘোষণা করা কঠিন কিছু নয়। এ জন্য কোনো জমি অধিগ্রহণ করতে হবে না।
অবশেষে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণাও শুরু হয়ে গেল। এর আগে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থী ফরম সংগ্রহ ও জমা দান, প্রার্থিতা যাচাই–বাছাই, আপিল, চূড়ান্ত প্রার্থিতা ঘোষণা ইত্যাদি নিয়ে সরগরম পরিস্থিতিও দেখা গেল। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি নিয়ে তর্কবিতর্কও ছিল চরমে।
কাশ্মীরে যা ঘটছে, তা আসলে বর্জন ও ভয়ের রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পেরই স্বাভাবিক পরিণতি। যারা আগে থেকেই অবিরাম অবরোধ ও নজরদারির মধ্যে বসবাস করছে, সেই মুসলমানদের এখন আরও বেশি প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের ভিত্তিতে তাদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মুসলমানদের ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক মনে হয় না।
নির্বাচনী জরিপে সবচেয়ে আলোচিত দুটি প্রভাব হলো ‘ব্যান্ডওয়াগন’ ও ‘আন্ডারডগ’ প্রভাব।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটযুদ্ধ মূল পর্বে প্রবেশ করল।
একটি শহর শুধু ইটের দেয়াল আর পিচঢালা পথ দিয়ে তৈরি হয় না; শহরের প্রাণভোমরা থাকে তার প্রকৃতি আর ইতিহাসের মধ্যে।
কী ভয়ানক! দেশে, সমাজে একজন মানুষকে ৩০ দিনের মাসে কমপক্ষে ৫০ জন শত্রুর ভার বহন করে জীবনযাপন করতে হয়।
ভারতে এমন একসময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে সের্জিও গোরের আগমন ঘটছে, যখন দেশ দুটির সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে এক গভীর সন্ধিক্ষণে।
একসময়ের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরবঙ্গ আজ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত। মাঠের পর মাঠ আবাদযোগ্য জমি থাকলেও সেখানে প্রাণ দেওয়ার মতো পানি নেই।
আদিবাসীদের উন্নয়নে মানবাধিকারকে সর্বাগ্রে রাখতে হবে। তাদের মনে যেন কখনো এই বোধ জন্ম না নেয় যে তারা অন্যের দ্বারা শাসিত হচ্ছে। এই দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আর এর বড় দায় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর। আস্থা তৈরি করেই এ কাজটি করতে হবে।