আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাটাই ইসির মূল চ্যালেঞ্জ
নির্বাচন কমিশন এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবশ্যই নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
মতামত ও বিশ্লেষণ
নির্বাচন কমিশন এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবশ্যই নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
যানবাহন ঠিক করে ভোটকেন্দ্রে যেতে যে ভাড়া লাগে, তা-ও দেওয়ার সামর্থ্য নেই বেশির ভাগ ভোটারের। এ অবস্থায় অনেকেই ভোট দিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় দেশের অন্যতম প্রধান দল আওয়ামী লীগ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে না।
একটি যুগোপযোগী ও ন্যায়ভিত্তিক শিক্ষাকাঠামো গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল শিক্ষা আইন ২০২৬। কিন্তু তাড়াহুড়ো, সীমিত পরামর্শ ও রূপান্তরমূলক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে এটি সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে আছে। শিক্ষা আইন যেন আরেকটি প্রশাসনিক দলিল না হয়ে ওঠে। বরং তা হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সামাজিক চুক্তি। সে জন্য সময় নিয়ে, সাহসী সংশোধনের মাধ্যমে এই আইনকে নতুন করে ভাবাই এখন সবচেয়ে জরুরি।
সংখ্যালঘুদের বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে আলাপে আমাদের মধ্যে গভীর অস্বস্তি আছে। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই এই আলাপ এড়িয়ে যাই।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নানা স্তরে বিভক্ত, নীতিগতভাবে অসংলগ্ন ও আইনি দিক থেকে খণ্ডিত। প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদ্রাসা, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা—প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদা আইন ও বিধিমালার মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে।
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আমরা এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অনুমোদন বা ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা সংস্কার কমিশনের এই প্রস্তাবেতে বিএনপি শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে।
জামায়াতের ৯০ পৃষ্ঠার নির্বাচনী ইশতেহার পড়লে প্রথম যে বিষয়টি চোখে পড়ে, তা হলো অস্পষ্ট সাধারণ কথার আধিক্য। এসব গড় বক্তব্যের ভেতর যে কয়েকটি পরিষ্কার অবস্থান পাওয়া যায়, সেগুলোর অনেকটাই উদ্বেগজনক এবং স্পষ্টতই গণবিরোধী।
গত লেখায় আমরা দেখিয়েছি, জাতীয় নির্বাচন শেষ করতে পারায় মিয়ানমারে সশস্ত্র বাহিনী কীভাবে দ্বিস্তরবিশিষ্ট একটা ক্ষমতাকাঠামো গড়ে তুলতে যাচ্ছে।
র্যাব বিলুপ্ত না করে এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি যেমন হতাশাজনক, তেমনি তা ভবিষ্যতের জন্য আশঙ্কাজনকও বটে।
সংসদের আস্থা কীভাবে নির্ধারিত হবে? বাংলাদেশের সাংবিধানিক কাঠামো মূলত ওয়েস্টমিনস্টার মডেল অনুসরণ করে। এ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদের আস্থা অর্জন করা শুধু রাজনৈতিক শালীনতার বিষয় নয়, এটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।
আওয়ামী লীগ আমলের গত তিনটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জনমনে কৌতূহলের কোনো সুযোগ ছিল না। এমনকি ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা আগেই ধারণা করা গেছে। সেদিক থেকে এবার এক ব্যতিক্রমী নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন জরিপে ফলাফলের কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়।