বাংলা ভাষা কি বিকৃতি আর হুমকির মুখোমুখি?
বিশ্বের বড় ভাষাগুলোও ইংরেজির প্রভাব অস্বীকার করতে পারেনি। ইংরেজিকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে লাভ নেই; প্রয়োজন বাংলাকে প্রযুক্তিসক্ষম করা।
মতামত ও বিশ্লেষণ
বিশ্বের বড় ভাষাগুলোও ইংরেজির প্রভাব অস্বীকার করতে পারেনি। ইংরেজিকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে লাভ নেই; প্রয়োজন বাংলাকে প্রযুক্তিসক্ষম করা।
তবে দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিযোগিতা নির্ভর করবে উৎপাদনশীলতা, সরবরাহ সময়সীমা, মান-অনুবর্তিতা এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতার ওপর; শুধু শুল্কের ওপর নয়। বৃহত্তর পরিসরে এই রায় নির্বাহী বিভাগের বাণিজ্যক্ষমতার সাংবিধানিক সীমা পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা ভবিষ্যতে শুল্ক নির্ধারণে কংগ্রেসের অধিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে পারে।
জুলাই ২০২৪ ও এর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছে তরুণ প্রজন্মের প্রবল উত্থান।
গত দেড় বছরে অর্থনীতির অধিকাংশ সূচক ক্রম-অবনতিশীল হয়ে পড়েছিল। ইউনূস সরকার শেষকালে বিদেশি-স্বার্থরক্ষক নানা চুক্তি করে গেছে। বোঝা যাচ্ছিল যে নতুন সরকার শুরুতেই একটা খাদের মধ্যে পড়বে।
ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আমাদের স্বাধিকার সংগ্রাম বেগবান হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল।
তারা বিদেশে সাফল্যের গল্প শোনায়, আত্মীয়স্বজনের আর্থিক উন্নতির উদাহরণ তুলে ধরে, দ্রুত আয় ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাস্তবে তাদের পরিকল্পনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সৌদি আরব একটি ফাইবার অপটিক কেব্ল প্রকল্পে সিরিয়াকে ট্রানজিট দেশ হিসেবে বেছে নিতে চায়। এই কেব্লটি ভূমধ্যসাগর হয়ে সৌদি আরবকে গ্রিসের সঙ্গে যুক্ত করবে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পরাজিত হয়েছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কাছে। বিএনপি অনেকের কাছে মধ্যপন্থী দল হলেও তুলনামূলকভাবে সেক্যুলারও।
যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও ডেনমার্কের পর শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধের ঘোষণা দিয়েছে স্পেন। ৩ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্টস সামিটে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল পরিবেশ শিশুদের জন্য নিরাপদ নয়।
সড়কে চাঁদাবাজিকে সমঝোতার লেনদেন হিসেবে আখ্যায়িত করে নতুন সরকারের পরিবহনমন্ত্রী একটি ঘোরতর অনৈতিক কাজকে বৈধতা দেওয়ার যে অজুহাত খুঁজেছেন তার পর্যাপ্ত নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য।
ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের মঞ্চে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ শোনা যাওয়ার কথা ছিল।
৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অস্থায়ী একটি সরকার কর্তৃক কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা নানা কারণে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা রক্ষিত হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন কল্লোল মোস্তফা।