হরমুজ কেন বিশ্বব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে?
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
ইন্টারনেট বন্ধ বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে।
এখনো কোনো পক্ষই ভবিষ্যৎ আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি; বরং পাকিস্তান ও মিসর পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে বিএনপি আসলে কেমন সরকার হতে চায়? রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর কর্তৃত্ব বজায় রাখা একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণমূলক সরকার, নাকি জবাবদিহিমূলক সরকার?
শরীর ভালো কি না জানতে চাওয়ায় হাস্যোজ্জ্বল মুখে বলেছিলেন, ‘জীবনে অনেক কিছু দেখলাম, টিকিটের পয়সা উশুল।’
জনসংখ্যানীতি ২০০৪ এবং ২০১২-এর মূল লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। অধিকন্তু পরিবর্তিত বাস্তবতায় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আবির্ভূত হয়েছে।
তেলসংকটের প্রভাব বাজারে পড়ার কথা নয়। ফলে বাজারে অস্থিরতার কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করাকে।
পরিবেশের বড় ধরনের ক্ষতি করে প্রকাশ্যে এভাবে তালগাছ কেটে বিক্রির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
পাকিস্তানের এই সংকট সহজে দূর হওয়ার সম্ভাবনা কম, কারণ দেশটির সামরিক বাহিনীর দাপট কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার করার কোনো সদিচ্ছা তাদের নেই।
ইসরায়েলিদের ক্ষোভ মেটানোর জন্য লেবানন একটি নিখুঁত লক্ষ্যবস্তু। দেশটির সামরিক বাহিনী অত্যন্ত দুর্বল। খ্রিষ্টান, সুন্নি ও শিয়া মুসলিমদের মধ্যকার ক্ষমতার টানাপোড়েন লেবাননের রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দীর্ঘকাল ধরে অস্থিতিশীল করে রেখেছে। সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে লেবাননের ভূখণ্ডে হানা দেওয়ার ছুতা খোঁজে ইসরায়েল।
৭ এপ্রিল মুক্তকণ্ঠ খুলে একটি প্রতিবেদন চোখে পড়ল। সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ বিষয়ে। এর আগে একটা প্রতিবেদন ছিল যে এই ভবন নির্মাণে প্রতি বর্গমিটারে ব্যয় হচ্ছে ৫৩ হাজার টাকা। গণপূর্ত প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এই তথ্য সঠিক নয় ইত্যাদি ইত্যাদি (এ ধরনের প্রতিবাদের ভাষা যেমন হয় আরকি।) তবে ৬ এপ্রিল একনেকের সভায় এই ভবনের বিষয়টি তালিকাভুক্ত ছিল কিন্তু আলোচিত হয়নি।
আজ আমরা এমন এক সময় পার করছি, যখন নির্মমতা আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটি দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। একজন ৩৫ বা ৪০ বছর বয়সী শিক্ষক, যাঁর শিশুদের জ্ঞানের আলো দেওয়ার কথা, তিনি সাত-আট বছরের ছাত্রদের বেদম মার মারছেন। এমনভাবে মারছেন যেন শিশুর শরীর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি।