এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১১ আগস্ট
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হবে।
শিক্ষা খাতের সর্বশেষ সংবাদ
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হবে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা।
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র নির্মোহভাবে মূল্যায়ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
প্রবাসে এসএসসি পরীক্ষায় ৪০২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ৮৮.০৬ শতাংশ।
আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে, তবে পাসের হার কম হওয়ায় প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না। তিনি বলেন, এবার যে নম্বর পেয়েছে সেটাই দেওয়া হয়েছে এবং খাতা পুনঃপরীক্ষা বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ইংরেজি ও গণিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও আইসিটিতে সর্বোচ্চ সাফল্য এসেছে। সামগ্রিকভাবে পাসের হার কমে ৬২.২৫ শতাংশ হয়েছে।
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার দুই বিষয়ের দুর্বলতার কারণেই অকৃতকার্যের হার বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান...
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ছেলেদের পাসের হার মাত্র ৪১.১৪ শতাংশ। সার্বিক পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় কমেছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও সার্বিক পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কমেছে।