ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে শীতবস্ত্র
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে ২৩ জানুয়ারি গরিব ও দুস্থ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে ২৩ জানুয়ারি গরিব ও দুস্থ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
একজন খেলোয়াড় যদি লিগ ক্রিকেটেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আয়োজনের সময় পুরো দলের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত করা সম্ভব?
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী, সাবেক সচিব, সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত এম মতিউর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে ৯ জানুয়ারি।
ঠিক করেছি সেই ভয়ে ঘরে বসে থাকব! কিন্তু খাব কী! গ্যাস তো নেই, আর সিলিন্ডারের দাম ২২০০ টাকার ঊর্ধ্বে। সিলিন্ডার ব্যবহার করব, সেখানেও ভয়।
শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে ‘আমার আগে আমরা’ সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ১৮ জানুয়ারি যশোরে মানবিক সহায়তায় কম্বল উপহার কর্মসূচি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।
খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।
ফোনের ওপাশ থেকে বলল, আমি চিকিৎসক ইমরান বলছি। ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে। ফাহিমের অবস্থা খুবই খারাপ। শিগগির কাউকে পাঠান।
হোটেলের প্রবেশমুখে এখনো আস্তানা গেড়েছে বেশ কিছু বিড়াল, সংখ্যায় পনেরো-বিশের কম হবে না। কোন মানুষ হেঁটে যাওয়ার সময় করুণ গলায় মিও মিও করছে, দেখলে মায়া লাগে। এত দিন হোটেলের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তাদের চলে যেত, এখন হয়তো মঙ্গা ভর করেছে তাদের পৃথিবীজুড়ে।
তোমরা যতই বলো ‘খাতার গাট্টি’, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। প্রচণ্ড শীতে খাতা মুড়ি দিয়ে ডেকের কড়া লিকারের চায়ে টোস্ট বিস্কুট ডুবিয়ে খেতে চাই, ভাতের সঙ্গে ডাল-চড়চড়ি খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চাই।
ক্লক টাওয়ার একবার ডানে হারায়, একবার বাঁয়ে হারায়। এভাবে লুকোচুরি খেলতে খেলতে আমাদের গাড়ি পৌঁছে গেল নির্দিষ্ট গন্তব্যে। আমাদের হোটেল ঠিক করা আছে ইব্রাহিম খলিল রোডের কবুতর মাঠের সামনে।
বাবা সোফায় বসে রইলেন। মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দেবেন অফিসে যাওয়ার সময়। বাবার সঙ্গে মেয়ে কথা বলতে বলতে স্কুলে যাচ্ছে, এ এক মুগ্ধতা জাগানিয়া দৃশ্য!