গলছে এভারেস্টের হিমবাহ, বিস্ময়কর কারণ জানালেন বিজ্ঞানীরা
স্যাটেলাইটের তথ্যেও বেজ ক্যাম্পের আশপাশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আরও বিস্তৃত প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
স্যাটেলাইটের তথ্যেও বেজ ক্যাম্পের আশপাশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আরও বিস্তৃত প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ‘হিমালয়ান সুনামি’র কারণ খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা।
হিমালয় অঞ্চলের এ ভয়াবহ দুর্যোগকে জলবায়ু পরিবর্তনের ফল বললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, ঝুঁকি মোকাবিলায় চাইলেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ।
পাহাড়ি ঢল ও কাদামাটিধসে নেপাল ও চীনে এখন পর্যন্ত ৯০৩ জন নিহত হয়েছেন।
নতুন করে বন্যার ঝুঁকি এখনো কাটেনি; বরং উজানে ভূমিধসের কারণে প্রাকৃতিকভাবে নতুন আরেকটি হ্রদ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে চীন। এই হ্রদের কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা বেড়েছে।
নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে নিখোঁজ হাজারো মানুষ। নিখোঁজ প্রিয়জনের ছবি সাঁটিয়ে তাঁদের জীবিত ফেরার আকুতি ব্যাকুল স্বজনদের।
মা ও খালা নিখোঁজ হওয়ার পর তুলসীদের পরিবার উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেওয়ার জন্য নেপালে যাওয়ার কথা ভেবেছিল
নিচের হ্রদটি ভোটেকুশি ও ত্রিশূলী নদীর উজানে অবস্থিত
মাট্টি মায়া তামাং বলেন, কোথায় স্কুল, কোথায় বাজার—কিছুই বোঝার উপায় নেই। চারদিকে শুধু পানি, পাথর ও কাদা।
এখন নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সীমিতসংখ্যক বিশেষজ্ঞকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে নেপাল সরকার।
এ ঘটনা নিছক আবহাওয়াজনিত কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এর পেছনে রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
উত্তর রাসুয়ার ভোতেকোশী নদীর কথা ভাবুন। ২৬ আগস্ট সকালে হঠাৎ প্রায় ১০ মিটার উঁচু পানির ঢল তিমুরে ও সিয়াব্রুবেসি এলাকায় আছড়ে পড়ে। এতে বহু বসতি ধ্বংস হয়। কাস্টমসের অবকাঠামো ভেসে যায়। পুলিশ ফাঁড়ি ভেঙে পড়ে। জলবিদ্যুৎ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের প্রধান বাণিজ্যপথের ওপর নতুন নির্মিত কয়েকটি সেতুও ধ্বংস হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয়ের জটিল ভূপ্রকৃতির কারণে এমন আকস্মিক দুর্যোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় প্রতি মৌসুমে কয়েক হাজার পর্বতারোহী ও শেরপা আরোহণ করেন।