হামের রোগীর ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে এডিনো ভাইরাস
শিশু হাসপাতালে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ৩৫ শিশুর নমুনা পরীক্ষা হয়। ১৬ শিশুর এডিনো ভাইরাস শনাক্ত।
শিশু হাসপাতালে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ৩৫ শিশুর নমুনা পরীক্ষা হয়। ১৬ শিশুর এডিনো ভাইরাস শনাক্ত।
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ভাইরাসে টিকার কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে—এমন জিনগত পরিবর্তন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আইসিডিডিআরবি। পাশাপাশি ৯ মাসের কম বয়সী শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশু ও ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দুই রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ হাজার ৩৬৯ জন ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৪৪ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও তিন শিশুর মৃত্যু এবং ৮৭২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪১ শিশু, যার মধ্যে মোট ৮৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত চার মাসের বেশি সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৮৩৫ শিশু।
বান্দরবানের রুমা উপজেলার লেংটংপাড়ায় হাম আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু হয়। আরও দুই সন্তানকে নিয়ে খুমি দম্পতি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ বছর ১১ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে মোট ৬৩৪ জন নিশ্চিত আক্রান্ত হয়েছেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা গত সাড়ে চার মাসে মোট ৬৬ জনে পৌঁছেছে।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৫ হাজার ১৯৮ শিশু।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮২৮ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে ৭৯৯ শিশু হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুতে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৮ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুদের মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনা বাড়ছে। দুর্গম লেটংপাড়ায় দুই দিনে দুই সন্তান হারিয়েছেন এক মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিকাদান অভিযান শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে সাড়ে চার মাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১ হাজার ১০৫ জনের শরীরে এই রোগের লক্ষণ দেখা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে দেশে মোট ৮২০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
বান্দরবানে হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু
ঢাকা জেলার ৬ জনের মৃত্যুসহ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন; ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ
টিকার প্রতি অনীহা এবং জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আস্থার অভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গত ৩৫ বছরের মধ্যে হামের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত এই পরিসংখ্যানে বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়।
দেশে গত ১৩০ দিনে হামের কারণে ৯৫ শিশুর মৃত্যু, টিকাদানে ঘাটতির কারণে প্রাদুর্ভাব বেড়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭০৮ শিশু এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৫ শিশুর; সব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮০৩।