হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে ঢাকায় তিন, সিলেটে এক ও বরিশালে এক শিশু মারা গেছে।
হামের উপসর্গে ঢাকায় তিন, সিলেটে এক ও বরিশালে এক শিশু মারা গেছে।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৫৬ জনের মধ্যে।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে, আর একটি শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১২২ শতাংশ।
হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এই ঈদ যাতায়াত সংক্রমণ বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা। সেদিকে সরকারের মনোযোগ না দেখে হতাশও তাঁরা।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শিশু নির্যাতন ও হামে মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন।
নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে থাকা শিশু সামিত মারা গেছে। অবস্থা সংকটাপন্ন থাকায় তাকে ঢাকায় নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি করার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। তবে অর্থসংকটে কৃষক বাবা ঢাকা নিতে পারেননি।
যদি ২০২০ সালের পর নিয়মিত দেশব্যাপী অতিরিক্ত টিকাদান কর্মসূচি না হয়ে থাকে, তাহলে সেই প্রশ্ন আগের প্রশাসনের দিকেও যায়।
হামের উপসর্গে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক, ময়মনসিংহে দুই ও রংপুরে একজন মারা গেছে।
নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির নাম মো. সামির (৭)। আজ রোববার ভোর পাঁচটার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চলতি বছরেই হাম নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা ছিল। কিন্তু অদৃষ্টের পরিহাস, হামের সমস্যায় আমরা হাবুডুবু খাচ্ছি।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৭০ দিনে ৫১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে সাতজনের মৃত্যু হচ্ছে হামে।
হামে আক্রান্ত হয়ে বিপুলসংখ্যক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ‘শিশুমর্গ’ নামের এই চলমান পরিবেশনা (পারফরম্যান্স) করে প্রাচ্যনাট।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কর্মরত চিকিৎসক ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশে হাম ও এর উপসর্গে ৫১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল।
হাম। যে রোগটি বাংলাদেশ থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল, সেই রোগই এখন শিশুদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছুঁয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এ উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি। প্রতিদিন চিরদিনের জন্য বাহুর ওপর ঘুমিয়ে পড়া প্রাণাধিক সন্তানদের নিয়ে শূন্য বুকে হাহাকার করতে করতে মা-বাবা ঘরে ফিরছেন। প্রতিদিন সকালে দৈনিকে চোখ রাখার আগে চোখ বুজে প্রার্থনা করি যেন লেখা থাকে ‘আজ হামে কোনো শিশু মারা যায়নি’। কিন্তু না, এ মৃত্যুর মিছিল থামছেই না।
৪৯৯ শিশুর জীবন কেড়ে নিল হাম
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আসলাম বলেন, অটোভ্যান চালিয়ে যা আয়, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। ছেলের হামের চিকিৎসায় প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ধারদেনা করেই এ টাকা জোগাড় করেছেন।
অধিকার কমিটির সভায় এসব কথা বলা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পরীবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে এই সভা হয়।
হামে আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসার জন্য অনুদানের চেক পেলেও ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে পারছেন না মা শাহিদা খাতুন। টাকার অভাবে হামে আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তিনি।