প্রতিদিন ৫০টি সুন্নত পালনের সহজ পদ্ধতি
প্রতিদিন পাঁচবার নামাজের জন্য আমরা মসজিদে যাই। এ সময় কয়েকটি কাজ করলে প্রতিবার যাতায়াতেই ১০টি সুন্নত পালন করা যায়। পাঁচ ওয়াক্তে যার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০।
প্রতিদিন পাঁচবার নামাজের জন্য আমরা মসজিদে যাই। এ সময় কয়েকটি কাজ করলে প্রতিবার যাতায়াতেই ১০টি সুন্নত পালন করা যায়। পাঁচ ওয়াক্তে যার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০।
মানবদেহে এমন একটি সূক্ষ্ম অথচ অতীব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে, যার সুস্থতার ওপর সমগ্র জীবনের আলো ও অন্ধকার নির্ভর করে। সে অঙ্গটি হলো ‘কলব’ বা অন্তর।
শৈশবে যদি কোরআন শেখার পবিত্র প্রক্রিয়াটি অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা ভয়ভীতির সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তবে অবচেতনভাবেই শিশুর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।
ইসলাম মানবচরিত্রের এ স্বাভাবিক প্রবণতাকে উপেক্ষা করেনি; বরং বৈধতার সীমার মধ্যে থেকে তুলনামূলক সহজ ও স্বস্তিদায়ক বিকল্প গ্রহণ করার এক অনন্য জীবনাদর্শ রেখে গেছেন মুহাম্মদ (সা.)।
আমাদের অসংখ্য ত্রুটিবিচ্যুতি মানুষের দৃষ্টি থেকে আল্লাহ আড়াল করে রেখেছেন। নাহলে অন্যের দিকে আঙুল তোলার সাহস আমাদের কারও থাকত না।
নিয়ত হলো এমন এক অদৃশ্য রূপান্তরকারী শক্তি, যা সাধারণ অভ্যাস বা জাগতিক কাজকেও অত্যন্ত সওয়াবের ইবাদতে পরিণত করতে পারে।
পরিবেশগত বিপর্যয়ের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন প্রায়ই দেখা দেয়—ইসলাম এই প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোকে ঠিক কীভাবে দেখে?
খাদ্য নষ্ট হলে খাদ্যের ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়, পানির অপব্যবহার করলে পানিসংকট তৈরি হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অসংযত ব্যবহারে জাতীয় সম্পদ বিনষ্ট হয়।
নবীজির দাওয়াতের পদ্ধতিতে মানুষের মনস্তত্ত্বের অসাধারণ প্রয়োগ দেখা যায়। তিনি মানুষের স্বভাব বুঝতেন। তার অবস্থান বুঝতেন। তার সামর্থ্য বুঝতেন। তারপর সেই অনুযায়ী কথা বলতেন।
মনীষীরা এই পুণ্যভূমিতে প্রবেশের সময় গভীর বিনম্রতা বজায় রাখতেন। বর্তমানে উড়োজাহাজ, ট্রেন বা বাসে যাতায়াত স্বাভাবিক; তবে অন্তর যেন শ্রদ্ধা ও সমর্পণে পূর্ণ থাকে।
অনেকে মনে করেন ইসলাম সহিংসতা উসকে দেয়, নারীর অধিকার খর্ব করে, কোরআন মানুষের সাহিত্য কিংবা ইসলাম নির্দিষ্ট জাতির শ্রেষ্ঠত্বকে সমর্থন করে; যা সত্য নয়।
দুঃখ-কষ্টই মানুষকে অহমিকা ভেঙে আল্লাহর সামনে সমর্পিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। যখন সব অবলম্বন ব্যর্থ প্রমাণিত হয়, তখন সে সেজদায় অশ্রুসিক্ত চোখে প্রার্থনা করে।
প্রশ্ন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে—ইসলামি ব্যাংকিং কি তার মূল দার্শনিক চেতনা বাস্তবায়ন করতে পেরেছে, নাকি ক্ষেত্রবিশেষে এটি প্রচলিত ব্যাংকিংয়েরই একটি ‘শরিয়া সংস্করণ’ হয়ে উঠেছে?
কেউ প্রশংসা করলে মনে রাখা উচিত, তার জীবনের এমন অনেক বিষয় আছে, যা অন্যরা জানে না। অথচ আল্লাহ তার প্রকাশ্য ও গোপন সবই জানেন।
প্রতিদিনের আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো যেন ইসলামের পরিপন্থী না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রতিটি মুসলিমের নৈতিক দায়িত্ব। ব্যবসার মাধ্যমে হালাল উপার্জনের ৭টি মূলনীতি আলোচনা করা হলো।
বিচার দিবসের নির্ণায়ক মুহূর্ত হলো বান্দার আমলনামা হস্তান্তর। যেসব আমলে সরাসরি ডান হাতে আমলনামা প্রাপ্তির সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তা উল্লেখ করা হলো।
পানির সংকটে ওজু বা গোসল করা সম্ভব না হলে ইসলামে তায়াম্মুমের বিধান রয়েছে। কোরআন ও হাদিসে উল্লেখিত কারণগুলো এবং তায়াম্মুমের সহজ পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।
জীবন কি শুধু সুখেরই হবে? মুমিনকে কেন জুলুম-নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়? আল্লাহ কেন পরীক্ষা ছাড়াই সত্যকে তাৎক্ষণিক বিজয় দেন না—কোরআনের শিক্ষায় খোঁজ পাওয়া যায় তার ব্যাখ্যা।
ইসলাম সকালবেলার জন্য এমন কিছু আমল শিক্ষা দিয়েছে, যেগুলো মানুষকে আল্লাহমুখী করে এবং সারা দিনের জন্য প্রশান্তি ও বরকতের পরিবেশ তৈরি করে।
অলসতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি আনন্দময়, সতেজ ও কর্মচঞ্চল জীবন গড়ে তোলা কোনো কঠিন বিষয় নয়; এটি মূলত প্রতিদিনের সহজ কিছু অভ্যাসের সমন্বয়।
মুমিনের জীবনের অন্যতম প্রধান সাধনা হওয়া উচিত আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা এবং তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা। হাদিসে এমন কিছু আমলের কথা এসেছে।
পরকালের চিরন্তন সফলতা নির্ভর করে দুনিয়ার জীবনে সম্পাদিত সৎকর্মের ওপর। তাই প্রয়োজন ইহজীবন ও পরজীবনের মধ্যে চমৎকার ভারসাম্য বজায় রাখা।
একজন সত্যিকারের বন্ধুর সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো, সে আমাদের ভালো চায়। শুধু দুনিয়ার সাফল্য নয়, সে আমাদের আখেরাতের সফলতাও কামনা করে।
মহানবীর শেখানো তিনটি কালজয়ী জিকির ও দোয়া নিয়ে আলোচনা করা হলো, যা আমাদের মনকে এক অদ্ভুত মানসিক প্রশান্তি ও প্রশান্তিময় সুখে ভরিয়ে দেবে।