নবীজি (সা.) কীভাবে কম সময়ে এত বেশি কাজ করেছেন
মহানবী (সা.) নিজে মাত্র ২৩ বছরে একটা গোটা জাতির চিন্তা, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রব্যবস্থা বদলে দিয়েছেন। অথচ তাঁর দিনও ছিল ২৪ ঘণ্টার। কীভাবে করেছেন এত কিছু?
মোট 17 টি সংবাদ
মহানবী (সা.) নিজে মাত্র ২৩ বছরে একটা গোটা জাতির চিন্তা, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রব্যবস্থা বদলে দিয়েছেন। অথচ তাঁর দিনও ছিল ২৪ ঘণ্টার। কীভাবে করেছেন এত কিছু?
মক্কা থেকে উত্তরমুখী প্রাচীন বাণিজ্যপথ ধরে মদিনা, খাইবার, ওয়াদিউল কুরা, তাইমা ও তাবুক হয়ে কাফেলাটি রোমান সাম্রাজ্যের সীমান্ত নগরী বুসরা আল-শামে পৌঁছায়।
এক বৃদ্ধ নারী এসে বললেন, ‘আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আমাকে বেহেশতবাসী করেন।’ নবীজি (সা.) মৃদু হেসে বললেন, ‘কোনো বৃদ্ধা তো বেহেশতে যাবে না।’
মদিনা থেকে ইয়েমেনের পথে বিদায় জানানোর সময় নবীজি এমন কিছু কথা বলেছিলেন, যেন এ-ই তাঁদের শেষ দেখা। হয়তো ফিরে এসে আর তাঁকে দেখতে পাবেন না।
প্রাচীন কোরাইশ সমাজে কায়িক শ্রম নিয়ে একধরনের অভিজাত অবজ্ঞা ছিল, একে দুর্বলদের কাজ মনে করত। কিন্তু পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনে তিনি জীবিকার পথ বেছে নেন।
বণিকের আবেদন কাবা প্রাঙ্গণের নেতাদের গভীরভাবে নাড়া দেয়। সবার আগে সাড়া দেন নবীজির চাচা জোবাইর। তিনি ঘোষণা দেন, এই অবিচার অমীমাংসিত রাখা চলবে না।
সিরাতের বিভিন্ন বর্ণনায় ছড়িয়ে থাকা বয়সের এই আপাত-বিরোধ তাই কোনো অসংগতি নয়; বরং এটি একটানা চার-পাঁচ বছর ধরে চলা এক দীর্ঘ সংঘাতের বিভিন্ন পর্বের স্বাভাবিক প্রতিফলন।
অসুস্থ বালকটি ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয়ের হওয়া সত্ত্বেও নবীজি (সা.) তার অসুস্থতার খবর পেয়ে শুশ্রূষায় উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রমাণিত হয় জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্ব।
কৈশোরের শুরুতে চাচা আবু তালিবের সঙ্গী হয়ে নবীজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ঘটে এমনই এক শাম সফরে। এখানেই ঘটে সিরাতের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
আবওয়ায় পৌঁছানোর পরপরই মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্জন উপত্যকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মুহাম্মদ (সা.) ও আহমদসহ নবীজির নাম ও গুণবাচক উপাধির কোরআন-হাদিসে উল্লেখ এবং ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।
নবীজি (সা.) মুসলিম উম্মাহর ধ্বংসের কারণ হিসেবে দুনিয়ার প্রাচুর্য, গুপ্ত শিরক, সমকামিতা, ব্যভিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। হাদিসের আলোকে এই সতর্কতাগুলো উম্মতকে সঠিক পথে রাখার মানদণ্ড। প্রকৃত নবীপ্রেম এই শিক্ষাগুলো জীবনে অবলম্বন করা।
যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।
দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।