নিঃশব্দে বিপদ মুছে ফেলা সিমন
বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে সিমনের হাতে উঠল গোল্ডেন গ্লাভও। বিশ্বকাপে তাঁর দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ের পুরস্কার।
বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে সিমনের হাতে উঠল গোল্ডেন গ্লাভও। বিশ্বকাপে তাঁর দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ের পুরস্কার।
নিউ ইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ফাইনালে গোল হয়েছে মাত্র একটি, তবে ১২০ মিনিটের লড়াই ছিল জমজমাট। দেখুন বিশ্বকাপের ফাইনালের বিশেষ কিছু মুহূর্ত।
৪৮ দলের বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়িয়ে ৮৭ কোটি ১০ লাখ ডলার করেছে ফিফা। চ্যাম্পিয়ন স্পেন ৬১৫ কোটি এবং রানার্সআপ আর্জেন্টিনা ৪০৬ কোটি টাকা পাবে।
পাসের পর পাস, প্রেসিংয়ের পর প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের দমবন্ধ করে শেষ দিকে গোল করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেন তিনটি ম্যাচই জিতেছে এই ছকে।
নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জিতল ইউরোপের দলটি।
২০১০ সালে প্রথমবার বিশ্বজয়ের সেই সোনালি সময়ের সঙ্গে ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপের মিলগুলো সত্যিই অবাক করার মতো।
আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচে মাঝমাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার এবং ফরোয়ার্ডদের মধ্যকার পাঁচটি বিশেষ দ্বৈরথ ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে।
২০১৭ সালের নভেম্বর। মাদ্রিদের উপকণ্ঠে লাস রোজাসের ‘সিউদাদ দেল ফুটবল’–এ চলছে এক কোচিং কোর্সের ক্লাস।
বল দখলে রাখা স্পেনের প্রধান অস্ত্র, অন্যদিকে শক্ত রক্ষণ ও মেসির জাদুকরী আক্রমণ নিয়ে প্রস্তুত স্কালোনির আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির ফাইনালে দুই দলের কৌশলগত লড়াই হবে দেখার মতো।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ যখন শেষ বাঁশি বাজবে, তাঁর জীবন একটুও বদলাবে না। আর্জেন্টিনা জিতলেও না, আর্জেন্টিনা হারলেও না।
গ্রুপ পর্বে সহজ জয়ের পর নকআউটে একের পর এক ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্রয়ের পর স্পেন জিতেছে সব ম্যাচেই, গোল খেয়েছে মাত্র একটি।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর স্পেন আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে। এই বিশেষ মুহূর্তে বর্তমান দলের প্রস্তুতি, দলীয় সংহতি এবং ফাইনালের চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বললেন কিংবদন্তি আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা।
১৯৭৮ বিশ্বকাপের নায়ক মারিও কেম্পেস লাওতারো মার্তিনেজের পারফরম্যান্স এবং স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের উত্তেজনা নিয়ে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেছেন।
ফাইনালের দুই দিন আগে নিউইয়র্কের ‘ফ্যানাটিকস ফেস্টে’ লিওনেল মেসি, রদ্রি, দুই দলের কোচসহ ছিলেন আরও অনেক সেলিব্রিটি।
মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং নিখুঁত পাসিংয়ের মাধ্যমে স্পেন দলের জয়ের কারিগর হয়ে উঠেছেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি।
সব কিংবদন্তিরই কি একটা মুহূর্ত আসে, যখন তাঁকে নিজের প্রতিচ্ছবির সামনে দাঁড়াতে হয়?
এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা লড়বে তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপার জন্য, পাশাপাশি ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যেও।
‘মানে কী! স্প্যানিশ ছেলেটা কি সত্যিই কাঁদছে? সামান্য ফুটবলের জন্য!’ ওরা বুঝতে পারছিল না, এই জয় আমার কাছে কী।
এবার পালা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের। এক দিন বেশি বিশ্রাম নাকি কম ভ্রমণ—জয় হবে কাদের?
আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানেই কি রেফারিং নিয়ে বিতর্ক আর পক্ষপাতিত্বের গল্প? এমেরিক লাপোর্তের কথা শুনে তা–ই মনে হচ্ছে।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, স্মরণীয় পারফরম্যান্স, গোলরক্ষকের অবদান, তরুণ ফুটবলারের উত্থান এবং মাঠে দলের শৃঙ্খলা—এসবের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় বিশ্বকাপের বিভিন্ন পুরস্কার।
সময়ের নদী বেয়ে এক যুগেরও বেশি পথ পেরিয়ে স্পেন আবারও দাঁড়িয়ে এক মহা–উদ্যাপনের আঙিনায়।
ভিসেন্তে দেল বস্কের ২০১০ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দল এবং লুইস দে লা ফুয়েন্তের ২০২৬ সালের ফাইনালিস্ট দলের খেলোয়াড় ও কৌশলের তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
২২ বিশ্বকাপে যাঁদের ওপর ভরসা করে ৩৬ বছরের আক্ষেপ মিটিয়েছিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি, তাঁদের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে।