মহানবী (সা.) যেভাবে সুসংবাদ দিতেন
নবীজি এসেছিলেন মানুষের জন্য বুকভরা আশার বার্তা নিয়ে। আল্লাহ তাই তাঁর পরিচয়ে বলেছেন, “হে নবী, আপনাকে তো পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে।”
নবীজি এসেছিলেন মানুষের জন্য বুকভরা আশার বার্তা নিয়ে। আল্লাহ তাই তাঁর পরিচয়ে বলেছেন, “হে নবী, আপনাকে তো পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে।”
প্রাচীন কোরাইশ সমাজে কায়িক শ্রম নিয়ে একধরনের অভিজাত অবজ্ঞা ছিল, একে দুর্বলদের কাজ মনে করত। কিন্তু পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনে তিনি জীবিকার পথ বেছে নেন।
তাওরাতের গোপন সংবাদের সঙ্গে নবীজির উত্তরের এই অভ্রান্ত মিল প্রত্যক্ষ করে আবদুল্লাহ ইবনে সালামের অন্তরে আর কোনো সংশয় অবশিষ্ট রইল না। তিনি কালবিলম্ব না করে রাসুলের হাত ধরে উচ্চকণ্ঠে তাওহিদের সাক্ষ্য দিলেন।
হাদিস ও শামায়েল শাস্ত্রের গ্রন্থগুলোতে তাঁর জুতার উপাদান, চামড়ার বৈশিষ্ট্য, আকৃতি, ফিতা বাঁধার ধরন এবং সাহাবিদের তা সংরক্ষণের হৃদয়স্পর্শী বিবরণ সংরক্ষিত রয়েছে।
বণিকের আবেদন কাবা প্রাঙ্গণের নেতাদের গভীরভাবে নাড়া দেয়। সবার আগে সাড়া দেন নবীজির চাচা জোবাইর। তিনি ঘোষণা দেন, এই অবিচার অমীমাংসিত রাখা চলবে না।
তিনি ছিলেন মদিনার বনু সালামা গোত্রের প্রধান। অত্যন্ত দানশীল, প্রভাবশালী ও সমাজে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এক ব্যক্তি। তবে একটি পা জন্মগতভাবেই কিছুটা দুর্বল।
তিনি ছিলেন শিশুদের প্রতি অতুলনীয় স্নেহশীল ও মমতাময়। তিনি কেবল শিশুদের নসিহত করতেন না; বরং তাদের কোলে তুলে নিতেন, কাঁধে চড়াতেন।
অসুস্থ বালকটি ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয়ের হওয়া সত্ত্বেও নবীজি (সা.) তার অসুস্থতার খবর পেয়ে শুশ্রূষায় উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রমাণিত হয় জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্ব।
নবীজির দাওয়াতের পদ্ধতিতে মানুষের মনস্তত্ত্বের অসাধারণ প্রয়োগ দেখা যায়। তিনি মানুষের স্বভাব বুঝতেন। তার অবস্থান বুঝতেন। তার সামর্থ্য বুঝতেন। তারপর সেই অনুযায়ী কথা বলতেন।
কৈশোরের শুরুতে চাচা আবু তালিবের সঙ্গী হয়ে নবীজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ঘটে এমনই এক শাম সফরে। এখানেই ঘটে সিরাতের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
মনীষীরা এই পুণ্যভূমিতে প্রবেশের সময় গভীর বিনম্রতা বজায় রাখতেন। বর্তমানে উড়োজাহাজ, ট্রেন বা বাসে যাতায়াত স্বাভাবিক; তবে অন্তর যেন শ্রদ্ধা ও সমর্পণে পূর্ণ থাকে।
রাসুলের প্রতি ভালোবাসা নিছক ভাবাবেগের বিষয় নয়; বরং তাঁর সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুবর্তন, জীবনাচরণের প্রতিফলন এবং তাঁর নির্দেশিত পথে নিজেকে সঁপে দেওয়াই হলো প্রকৃত ভালোবাসার প্রমাণ।
উম্মতের জন্য তাঁর হৃদয়ে মমতা, ব্যাকুলতা ও গভীর দরদ ছিল। সামান্য কষ্টে তিনি ব্যথিত হতেন, উম্মত যাতে দোজখের আগুন থেকে রক্ষা পায়, সে জন্য তিনি ব্যাকুল থাকতেন।
আবওয়ায় পৌঁছানোর পরপরই মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্জন উপত্যকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
যে সময় তিনি পৃথিবীতে প্রথম কদমটি রেখেছিলেন, সেটি ছিল রবিউল আউয়াল মাস এবং চল্লিশ বছর বয়সে এই মাসেই তাঁকে সোপর্দ করা হয়েছিল জগৎশুদ্ধির কাজ।
মুহাম্মদ (সা.) ও আহমদসহ নবীজির নাম ও গুণবাচক উপাধির কোরআন-হাদিসে উল্লেখ এবং ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।
শত ব্যস্ততার মাঝেও নবীজি স্ত্রীদের সঙ্গে আন্তরিক, প্রেমময় ও হাসিখুশি সময় কাটাতেন। তাঁর দাম্পত্য জীবন ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনন্য উপমা।
এই মাসকে কীভাবে ইবাদত, জিকির ও মানবকল্যাণমূলক আমলের মাধ্যমে বরকতময় ও সার্থক করে তোলা যায়, তারই ৫টি সহজ দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।
রবিউল আউয়ালের সঠিক জন্মতারিখ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, গবেষকরা সোমবারে জন্মের বিষয়ে একমত।
প্রতিদিন দীর্ঘসময় ভিন্ন মানসিকতা, ভিন্ন মেজাজ ও বিচিত্র সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। কারো সঙ্গে মতের অমিল হলে মনের ভেতর ক্ষোভ তৈরি হয়।
বইটিতে বয়স ধরে ধরে সাজানোর ব্যাপারটাও চমৎকার। পাঠক নিজের বর্তমান বয়সে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, ঠিক এই বয়সে নবীজি কী ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
তাঁদের অর্জিত বিপুল ধনসম্পদ কখনো ব্যক্তিগত ভোগবিলাস বা ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়নি; বরং তা ব্যবহৃত হয়েছে সমাজকল্যাণ, মানবিক পুনর্বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সংকট নিরসনে।
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।