গণতন্ত্র ও বাংলাদেশে বিরোধী রাজনীতি
গণতন্ত্রের রূপ নানাবিধ হতে পারে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক যাত্রার কেবল সূচনাই ঘটে; কিন্তু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও দুটি ভিন্ন রূপ নিতে পারে।
৪ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ
গণতন্ত্রের রূপ নানাবিধ হতে পারে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক যাত্রার কেবল সূচনাই ঘটে; কিন্তু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনও দুটি ভিন্ন রূপ নিতে পারে।
বাজেট, নিয়োগ ও পদোন্নতি নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে রেখে, উচ্চ আদালতে বেঞ্চ পুনর্গঠন করে কিংবা অবসর-পরবর্তী নিয়োগের প্রলোভন সামনে রেখে বিচার বিভাগকে নতজানু করে রাখা হয়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসা যেকোনো দলের সামনেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ থাকত—একটি ধ্বংসপ্রায় রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনর্গঠন।
বস্তুত, সংস্কার ব্যর্থ হয়নি; বরং সংস্কার ঠেকানোর প্রকল্প সফল হয়েছে। তাই আসল প্রশ্ন দুটি—কে, কীভাবে সেই সাফল্য নিশ্চিত করল, আর এখন কী করা যায়।
বহু দশক পর সংবিধানের দর্শন ও কার্যপ্রক্রিয়ার এই বৈপরীত্যই রাজনীতির মাঠে প্রধান প্রশ্ন হিসেবে সামনে চলে এসেছে।