গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিই ধর্মীয় চরমপন্থা মোকাবিলার পথ
দেশে ধর্মীয় চরমপন্থা চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে। অনলাইন-অফলাইন উভয় স্পেসে এখন তা দৃশ্যমান। চরমপন্থী চিন্তার প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।
দেশে ধর্মীয় চরমপন্থা চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে। অনলাইন-অফলাইন উভয় স্পেসে এখন তা দৃশ্যমান। চরমপন্থী চিন্তার প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশের সমাজে যখন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও দর্শনচর্চায় খরা চলছে, তখন ফরাসি বিপ্লবের পূর্বক্ষণে জনগণের প্রস্তুতির পর্বটি খেয়াল করা জরুরি।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম জানান, এই ভাসান পানির আন্দোলনই তাঁকে শিখিয়েছে, লাঠির জোরে কিছুদিন অধিকার আদায় করা গেলেও স্থায়ী করতে গেলে আইন বদলাতে হয়।
বাংলাদেশ আবার একটি বড় নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে। এখন রাজনীতি শুধু সভা–সমাবেশ, লিফলেট–ব্যানার আর টিভিতে সীমাবদ্ধ নয়। আলোচনা অনলাইনে অনেক আলোচনা হয়। এই জায়গায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী) বড় ভূমিকা রাখছেন।
চা-শ্রমিক ভীম রুদ্রপাল ব্রিটিশ আমলে জীবিকার তাগিদে পরিবার নিয়ে এ দেশে আসেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে তিনি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুরে জমি কেনেন। সেই থেকে পরিবারের সবাই একান্নে থাকা শুরু করেন। এখনো সেই ধারাটি টিকে আছে।
কী ভয়ানক! দেশে, সমাজে একজন মানুষকে ৩০ দিনের মাসে কমপক্ষে ৫০ জন শত্রুর ভার বহন করে জীবনযাপন করতে হয়।
আমরা দেখছি, কিছু রাজনৈতিক দল ও এর নেতারা মিছিলে মিছিলে ফাঁসি চাচ্ছেন,‘জবাই কর’ ধরনের স্লোগানকে স্বাভাবিক করছেন। এর ফলে সমাজে মানুষ মনে করতে থাকে, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান মানেই কাউকে খতম করে দেওয়া।
প্রতি বছরের মতো গত ৩১ ডিসেম্বরও দিবাগত রাতে ঢাকাসহ দেশের অন্য শহরগুলোতে যা ঘটল, তাকে কোনোভাবেই উৎসব বলা চলে না।