খরচের চাপে কমছে জাতীয় সঞ্চয়
তিন অর্থবছরের ব্যবধানে জাতীয় সঞ্চয় প্রায় ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে। একই সময়ের ব্যবধানে দেশজ সঞ্চয় কমেছে ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশীয় পয়েন্ট।
তিন অর্থবছরের ব্যবধানে জাতীয় সঞ্চয় প্রায় ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে। একই সময়ের ব্যবধানে দেশজ সঞ্চয় কমেছে ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এই সঞ্চয়কারীদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার
এনবিআর এখন সেই সুদের ওপর কর দাবি করছে বিগত বছরগুলোর জন্য। তা–ও অল্প সময়ের নোটিশে। বলা হচ্ছে আদায় না করতে পারলে এই কর দিতে হবে এখন ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলোকে।
বাংলাদেশে মিউচুয়াল ফান্ডের উন্নয়নে প্রয়োজন প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল প্রক্রিয়া, বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগ অপশন এবং শক্তিশালী বিতরণব্যবস্থা।
সহজ কথায়, ‘নো-বাই’ চ্যালেঞ্জের নিয়ম নির্দিষ্ট কোনো তালিকা নয়। নিজের প্রয়োজন, আয় এবং কেনাকাটার অভ্যাস বুঝে নিয়ম তৈরি করাটাই এর মূলকথা।
রবার্ট কিয়োসাকির দাবি, তিনি এমন একটি রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ গোষ্ঠীর অংশ, যাদের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১২০ কোটি ডলার। তবে এতে বরং তিনি খুশি! কেন?
এটি কোনো রোগের নাম নয়। তবে ভয়টি বাস্তব। অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার এই প্রবণতাকে অনেক সময় ‘ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাংজাইটি’ও বলা হয়ে থাকে।
নিয়মিত সঞ্চয় করা যে জরুরি, তা বলা বাহুল্য। এ ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে সহজ একটি পদ্ধতি—‘১০০ খাম চ্যালেঞ্জ’।
‘টাকা জমাও, ভবিষ্যৎ নিরাপদ হবে’—শৈশব থেকে আমরা এ শিক্ষাই পেয়ে এসেছি। কিন্তু বর্তমান অর্থনীতি আমাদের সামনে একটি নতুন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে, শুধু টাকা জমালেই কি ভবিষ্যৎ নিরাপদ থাকে?
কয়েক দিন ধরে সঞ্চয়পত্র কিনতে বিভিন্ন ব্যাংকে ঘুরলাম। ঘুরতে গিয়ে যা দেখলাম, সেটা কষ্টকর। একটা সরকারি ইনস্ট্রুমেন্ট কিনতে গিয়ে গ্রাহককে যে ভোগান্তি পোহাতে হয়, ওপরের মহলের লোকজন সেটা সম্ভবত জানেন না।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘সঞ্চয়পত্রের বর্তমান মুনাফার হারই বহাল থাকবে, নতুন করে কোনো পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে না।’
বাজেট ঘোষণার পর করদাতাসহ সাধারণ নাগরিকেরা চিন্তা করেন, এই বাজেট তাঁর খরচ কতটা বাড়াবে, কতটা কমাবে। কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে, কোনটির কমবে—এসবের হিসাব–নিকাশে বসে যান অনেকে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের সঞ্চয়পত্র নিয়ে নতুন নির্দেশনার চিঠি দেওয়া হয়েছে।
নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জিরা অর্থকে দেখছে ভিন্নভাবে। শুধু ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নয়; বরং বর্তমানের জীবনযাপন, অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সঙ্গেও তারা অর্থের সম্পর্ক খুঁজে নিচ্ছে।
বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ইস্টার্ন ব্যাংকের মাসিক ডিপিএস সেবা। এখন ঘরে বসেই কোনো কাগজপত্র ছাড়া ইস্টার্ন ব্যাংকে ছয় মাস থেকে চার বছর মেয়াদে সঞ্চয় করতে পারবেন গ্রাহকেরা।
জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা অনিশ্চয়তায় বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে নিশ্চিত আয় খোঁজে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবার। জমানো টাকা নিরাপদ জায়গায় বিনিয়োগের ভালো খাত সঞ্চয়পত্র।
ভালো চাকরি, বেতন, সঞ্চয়—বিষয়গুলো শুনতে নিরাপদ লাগে। বাস্তবে অনেকেই এই পথেই হাঁটেন। কিন্তু সত্যিটা হলো, শুধু টাকা জমিয়ে ধনী হওয়া যায় না।
বিকাশ হিসাব দিয়ে প্রতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা বা মাসে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করা যায় সঞ্চয়। বিকাশের অ্যাপ থেকে ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসিতে ডিপিএস খোলা যায়।
সফট সেভিং হলো ভবিষ্যতের চাপ কমিয়ে বর্তমানের আনন্দ উপভোগের পদ্ধতি, যা জেন-জি প্রজন্ম জনপ্রিয় করেছে। এর সুবিধা-অসুবিধা জেনে নিন এবং সঠিক ভারসাম্য রক্ষা করুন। আজকের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় এটি কেন কাজ করছে।
কৃষি ব্যাংকের ‘অপরাজিত স্কিম’ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সঞ্চয়ী স্কিম, যাতে সর্বোচ্চ ১১% মুনাফা পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চালু স্কিমে গত দুই বছরে ৭১৬ জন যোগ দিয়ে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা সঞ্চয় করেছেন।
তবে এর মানে এই নয় যে শুধু বসে বসে ইতিবাচক চিন্তা করলেই আপনি দীর্ঘজীবী হয়ে যাবেন। বরং সবচেয়ে উপকারী হলো ‘সক্রিয় আশাবাদী’ হওয়া।
ইসলামি ব্যাংকিং তরুণদের জন্য এমন একটি সুযোগ তৈরি করেছে, যেখানে তাঁরা ধর্মীয় মূল্যবোধ বজায় রেখে নিরাপদে সঞ্চয় করতে পারেন।
সঞ্চয়পত্র নাকি ডাবল স্কিম: কোনটি ভালো
সঞ্চয় মানে শুধু টাকা জমানো নয়, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা গড়ে তোলা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোন মাধ্যমে বিনিয়োগ করলে লাভ বেশি? সঞ্চয়পত্র নাকি ডাবল স্কিম?