বেহেশতে গেলেও যে আমলের আফসোস থাকবে
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
তিনি উটের পিঠ থেকে নামার উদ্যোগ করতেই আলী ও আবু লুবাবার বুক কেঁপে উঠল। মরুভূমির তপ্ত বালুতে নবীজি হাঁটবেন, আর তাঁরা উটের পিঠে আরাম করবে?
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
প্রতিদিন সকালে চোখ মেলে তাকানো, এক গ্লাস পানি গিলে ফেলার সামর্থ্য, পাশে থাকা প্রিয়জনের মুখ—এসবই আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ, যা আমরা প্রায়ই খেয়াল করি না।
মানুষ প্রায়ই নিজের ক্যারিয়ার, স্বাস্থ্য বা মনের শান্তি হারিয়ে একধরনের ‘বার্নআউটে’ ভোগে। এমন কঠিন সময় পার করার জন্য কিছু সহজ অথচ গভীর উপায় পাওয়া যায়।
আমরা কোরআন থেকে কীভাবে বরকত গ্রহণ করব এবং কেনই-বা আমরা নিয়মিত কোরআন পড়া সত্ত্বেও এর আলোয় জীবন আলোকিতা করতে পারছি না।
এআই আমলের গতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে, এটা সত্যি। কিন্তু তাদাব্বুর—গভীর ভাবনা, সঠিক নিয়ত, বিচক্ষণতা—এটা এখনো সম্পূর্ণ আমাদেরই কাজ।
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের গুরুত্ব ও আবেদন একেবারেই আলাদা। ভোরের সেই স্নিগ্ধ সময়ে নামাজ আদায়ের বিশেষ ১০টি উপহার নিয়ে এই আয়োজন।
সলামে নতুন চাঁদ দেখা আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ। মহানবী (সা.) আকাশে নতুন চাঁদ দেখলে উম্মতকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।
নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’
যদিও হজ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ-তাআলার এখতিয়ারভুক্ত, তবে যদি কবুল হয়, তবে বাহ্যিকভাবে জীবনে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।
হাটে পশুকে নির্মমভাবে পেটানো, ট্রাকে গাদাগাদি করে আনা, কিংবা জবাইয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া—আমাদের প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।
প্রেমময় এই হজ মুমিনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। একজন মুমিন সারাজীবন পবিত্র কাবার সান্নিধ্য পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে যায়।
কোরবানি ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ ও আনুগত্যের স্মৃতিবিজড়িত সুন্নত। তবে হাদিসে দুটি আমলের কথা এসেছে, যেগুলোর মাধ্যমে কোরবানির সমপরিমাণ সওয়াব অর্জন করা যায়।
আমরা যারা হজে যাওয়ার সামর্থ্য রাখি না, তারা চাইলে এই আমলগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হজের সওয়াব অর্জন করতে পারি।
রমজান মাস যেমন ইবাদতের মাস, তেমনি দিনের মধ্যে রমজান ব্যতীত বছরের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর অন্যতম হলো জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন।
যখন কোনো কাজ করা হবে, তখন তা হতে হবে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এবং নিখুঁত, যা বলা হয় ‘ইতকান’। কারণ, আল্লাহ আপনার প্রতিটি কাজের পর্যবেক্ষক।
ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।
অজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা কি ওয়াজিব নাকি সুন্নত—এই বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতভেদ রয়েছে। কোরআন, হাদিস ও ফিকহের নীতির ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এটি সুন্নত, তবে পূর্ণতার জন্য জরুরি। অজু তবু বৈধ হয়।
পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।
মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।