যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা
ভিন্ন একটি বাণিজ্য আইন বিশ্বব্যাপী নতুন করে শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের।
ভিন্ন একটি বাণিজ্য আইন বিশ্বব্যাপী নতুন করে শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের।
আমদানিকারকদের থেকে শুল্ক বাবদ আদায় করা শত শত কোটি ডলার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ৬ বিচারপতির ওপর চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দিলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান সংঘাত না থামালে ট্রাম্প তাদের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।
তালিকায় আছে টিভি, ফ্রিজ, মিউজিক সিস্টেম, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ঝাড়বাতি, ডিএসএলআর ক্যামেরা, এয়ারগান, ডিশ অ্যানটেনা, স্বর্ণপিণ্ড ও রৌপ্যপিণ্ড।
মেক্সিকো, চীন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যে আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রায় ৯০ শতাংশই বহন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো।
গত বছর একটা পর্যায়ে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
২১৯–২১১ ভোটের ব্যবধানে প্রস্তাবটি পাস হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চার ধাপে যুক্তরাষ্ট্রকে এই শুল্কসুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাড়ে চার হাজার পণ্য আমদানিতে কাস্টমস শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক শূন্য করতে হবে।
রপ্তানিকারকেরা বলছেন, তৈরি পোশাকে মার্কিন তুলা ব্যবহারের সত্যতা যাচাইয়ের পদ্ধতি কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত আরোপ করা হলে তাতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।
আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই বাণিজ্যচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আশা করছি ৯ তারিখে যে চুক্তি হবে, তাতে শুল্কহার কমবে। তবে কতটুকু কমবে, তা এই মুহূর্তে আমি বলতে চাচ্ছি না বা পারছি না।’
ট্রাম্প এখনো ওই নির্বাহী আদেশ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ট্রাম্প।
বিনা শুল্কে সর্বোচ্চ ৮ ভরি ১০ আনার ১২টি সোনার গয়না এবং শুল্ক দিয়ে বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলার একটি সোনার বার আনা যাবে।
বিনিময়ে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য নিজ দেশের বাজারে প্রবেশের পথে ভারত বাণিজ্য–বাধা হ্রাস করবে।
ভোটের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বাংলাদেশের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক নিয়ে সমঝোতা হিসেবে ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে এই চুক্তি হবে। চুক্তি হচ্ছে জাপানের সঙ্গেও।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি গভীর দুর্বলতা সামনে এনে দিয়েছে।
কিছুদিন আগপর্যন্ত দেশটি ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেলের অধিকাংশ চাহিদা পূরণ করত।
জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশ—উপহারের ওপর ১ শতাংশ কর বসানো; ১০ লাখ পর্যন্ত আবগারি শুল্ক মওকুফ; ফেসবুকে ব্যবসাকে করের আওতায় আনা।
সরকার মুঠোফোন আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে, আর তার সঙ্গে সঙ্গে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এখন দাম কমলেও তা আগের দামটিই থাকছে বলে মনে করছেন ভোক্তারা।