কবিতার ‘শহীদ কাদরী’ নাট্যমঞ্চে
শহীদ মানেই ঢাকার অগুনতি ক্যাফে, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকানে অখণ্ড নির্ভেজাল নিরুপদ্রব আড্ডা আর আড্ডা। সদলবলে অ্যাসফল্টের রাস্তা, অলিগিলি ভেঙে উদ্দেশ্যবিহীন ঘুরে বেড়ানো দিনের পর দিন, রাতের পর রাত।
শহীদ মানেই ঢাকার অগুনতি ক্যাফে, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকানে অখণ্ড নির্ভেজাল নিরুপদ্রব আড্ডা আর আড্ডা। সদলবলে অ্যাসফল্টের রাস্তা, অলিগিলি ভেঙে উদ্দেশ্যবিহীন ঘুরে বেড়ানো দিনের পর দিন, রাতের পর রাত।
১৯৬৮ সালে আইয়ুব পাকিস্তানের সব ভাষার জন্য অভিন্ন রোমান হরফ চালু করার প্রস্তাব করলে মাতৃভাষার ওপর শোষকের খড়গের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েই কবি ক্ষান্ত হন না, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখেন ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’র মতো হৃদয়স্পর্শী কবিতা।
আমরা ছাত্রজীবনে সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সংকলন প্রকাশের জন্য দুজনের কাছ থেকেই কবিতা সংগ্রহ করেছি। ১৯৬৮ সালে শামসুর রাহমান আমাকে কবিতা দিয়েছিলেন। ১৯৬৮–৭০ সালে আমরা তাঁর কবিতা ছাপালাম। আল মাহমুদের কাছে আমি গিয়েছিলাম ১৯৬৯ সালে তাঁর ইত্তেফাক অফিসে। তিনিও আমাদের কবিতা দিয়েছিলেন।
শামসুর রাহমান ছাড়াও বদরুদ্দীন উমর, শহীদুল জহির ও আবদুল হককে নিয়ে শনিবার সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সংস্কৃতি বাংলা নামের একটি সংগঠনের বর্ষশুরু আয়োজন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানে সাজ্জাদ শরিফ ‘জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম: শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ’ শিরোনামে একক বক্তৃতা দেন।