রমজান আসছে: শাবানের অবশিষ্ট দিনগুলো কীভাবে কাটাবেন
রমজানের এই আধ্যাত্মিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে শাবান মাসের শেষ দিনগুলোতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এখানে আলোচনা করা হলো।
রমজানের এই আধ্যাত্মিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে শাবান মাসের শেষ দিনগুলোতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এখানে আলোচনা করা হলো।
শাবান মাস শুরু হওয়ার পর প্রত্যেকের উচিত নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের বিগত রমজানের কোনো রোজা বাকি আছে কি না তা যাচাই করা।
মূলত আল্লাহ তাআলা প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ গুণ বাড়িয়ে দেন। সেই হিসেবে তিনটি রোজার সওয়াব ৩০টি রোজার সমান হয়ে যায়।
রমজানের প্রস্তুতির জন্য খুব বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই। বরং আমাদের দৈনন্দিন ইবাদতের মৌলিক বিষয়গুলোতে ফিরে আসাই হলো আসল প্রস্তুতি।
আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র শবে বরাতের রোজা। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের শবে বরাত ও তৎসংলগ্ন রোজার সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
রমজানের প্রস্তুতির ব্যাপারে প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরি হলো, শাবানে বেশি নফল ইবাদত ও রোজার অভ্যাস তৈরি করে মনের জমিনে বীজ বপন করা।
এ বছর দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডশেন। এতে করে রোজাদারগণ নির্ভুল সময়ে পবিত্র রমজানের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।
এই মাসে ব্যক্তিবিশেষের জন্য রোজা রাখা নিষিদ্ধও হতে পারে, আবার জরুরিও হয়ে পড়তে পারে। এই সকল দিক বিবেচনায় শাবান মাসের রোজাকে চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়।
শবে বরাতে নির্দিষ্ট পদ্ধতির বা নির্দিষ্ট রাকাতের নামাজ আদায়ের যে বর্ণনাগুলো পাওয়া যায়, তার কোনোটিই নির্ভরযোগ্য নয়। বরং এই ধরনের নামাজ সম্পর্কিত বর্ণনার সবই ভিত্তিহীন।
রজব ও রমজানের মধ্যবর্তী এই মাসটি সম্পর্কে মানুষ গাফেল থাকে। এটি এমন একটি মাস, যে মাসে মানুষের সকল কর্মকাণ্ড প্রতিপালকের সামনে উপস্থাপন করা হয়
পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি