হাসপাতালের বিছানায় অসুস্থ শিশুর হাতে মোবাইল কেন?
মোবাইলের প্রতি একাগ্রতা দেখে কখনোই বিরক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয় যে ‘আমার ছেলে মোবাইল ছাড়া থাকতেই পারে না’।
মোবাইলের প্রতি একাগ্রতা দেখে কখনোই বিরক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয় যে ‘আমার ছেলে মোবাইল ছাড়া থাকতেই পারে না’।
ইশারা ভাষা ব্যবহারকারী মানুষকে আমরা অনেক সময় ‘বোবা’ বা ‘নির্বাক’ হিসেবে দেখি। এই দৃষ্টিভঙ্গিই সমস্যার শুরু।
যেকোনো দেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ভুল সিদ্ধান্ত ও বোঝাপড়ার শিকার হয়েছে চীন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে মুক্তকণ্ঠ হাতে নিয়েই চোখ আটকে গেল শীর্ষ সংবাদে। ‘নারীর প্রতি বৈষম্য বেড়েছে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এবারের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট নিয়ে নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।
ইসলামাবাদের জন্য এই বাজিটি মোটেও কোনো কাল্পনিক বিষয় নয়। এর সফলতা মানে হলো—রিয়াদ, বেইজিং, তেহরান এবং ওয়াশিংটন যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে তা আগেভাগে হিসাব করবে এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের সামলে নেবে।
হাসপাতাল এমন একটি স্থান, যেখানে মানুষ জীবন বাঁচানোর আশায় প্রবেশ করে। অথচ হাসপাতালই যদি আগুন, ধোঁয়া ও অপরিকল্পিত রোগী স্থানান্তরের কারণে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়, তবে তাকে নিছক দুর্ঘটনা বলে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই।
ডুমা (রুশ পার্লামেন্ট) নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ঠিক এই সময়ে ক্রেমলিন ব্যালট পেপারকে পুরোপুরি প্রতিদ্বন্দ্বীহীন করার প্রক্রিয়া আরও তীব্র করে তুলেছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় লেখা মাত্র ৬৭ শব্দের একটি চিঠি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বালফোর ব্রিটিশ ইহুদি নেতা লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি ফিলিস্তিনে ‘ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি’ প্রতিষ্ঠার প্রতি ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন জানান।
প্রতি মাসে ছয়-সাত লাখ কর্মী বিদেশে যাওয়ার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অভিবাসী কর্মী নথিবিহীন, কর্মহীন, নির্যাতিত, অসুস্থ হয়ে প্রত্যাশিত সময়ের আগেই দেশে ফিরে আসছেন। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, গত ছয় বছরে প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী অপ্রত্যাশিতভাবে ফেরত এসেছেন। ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত এ সংখ্যার হার অনেক বেশি।
বিরাট বিরাট রণতরি ও অত্যাধুনিক বোমারু বিমানও টলাতে পারেনি ইরানিদের দৃঢ় মনোবল।
আমাদের দেশের গণমাধ্যমগুলো নিজেদের সমালোচনা পত্রিকায় ছাপাতে বা প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করে। সাংবাদিকেরা প্রতিদিন অন্যের অধিকার, অন্যায়, দুর্নীতির খবর তুলে আনেন, অথচ নিজেদের বেতন-ভাতা, চাকরির নিরাপত্তা আর পেশাগত সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে তা ছাপানোর মতো কেউ থাকে না।
২০০৭ সালে সেনাবাহিনী থেকে আমাকে একটা জনমুখী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হলো। যখনই কোনো সেবাগ্রহীতা সার্ভিস নিতে গিয়ে আটকে যেতেন, তাঁদের অনেকেই আমার কাছে আসতেন। কারণ, ওই এজেন্সির ওয়েবসাইটে আমার মুঠোফোন নম্বরটা দিয়ে রেখেছিলাম নিজেই। আমি নিজেও ‘ওপেন ডোর’ পলিসিতে বিশ্বাসী ছিলাম। ফলে হাজারো মানুষ ফোন করতেন, দেখা করতেন। শুনতাম। বৈধ রাস্তায় দ্রুত কাজ ওঠানোর চেষ্টা করতাম।
জার্মানির এক অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে অতি ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর ডয়চল্যান্ড (এএফডি) অল্পের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে এতে স্বস্তি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সাখসেন-আনহাল্ট রাজ্যে তারা এক বিশাল জয় ঝুলিতে পুরেছে।
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর একটি পৌর শহর। এই শহরের ৩৩টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছিল সৈয়দপুর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
একটি সরকারের সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা কমে গেলে বা বিরোধী দল শক্তিশালী হলে কিংবা রাজপথে বড় আন্দোলন শুরু হলেই সরকারটি দুর্বল হয়ে যায় না।
যে রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে এসব আন্দোলন হয়েছে, সেসব ব্যবস্থার পার্থক্যের কারণে আন্দোলনগুলোর ফল হয়েছে একেবারেই ভিন্ন।
মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে আগে জানতে হবে—বর্তমানে কতটি বিশ্ববিদ্যালয় সত্যিকার অর্থে জ্ঞান সৃষ্টি করছে।
একটি গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করা, যার প্রধান পূর্বশর্ত হলো জনগণের সম্মতির শাসন প্রতিষ্ঠা।
বিশ্বের পরবর্তী বড় স্বাস্থ্য সংকটের প্রতিষেধক হয়তো কোনো অত্যাধুনিক গবেষণাগারে তৈরি হচ্ছে না।
আরেকজন উপদেষ্টাও বর্তমানের জ্বালানিসংকটের কোনো দায় বর্তমান সরকারের ঘাড়ে পড়বে না—এমন তত্ত্ব দিয়ে খ্যাতি পেয়েছেন।
চোখ তুলে তাকানোরও যেন জো নেই! বিশ্ব পরিস্থিতি একেবারে লন্ডভন্ড। যেকোনো মুহূর্তে মাথার ওপর আকাশ ভেঙে পড়তে পারে।
বিভক্ত হওয়ার পরও আজ পর্যন্ত এই দুই অঞ্চলের মানুষের মনে ফেলে আসা মাটির জন্য টান রয়ে গেছে।
সদ্য ঘোষিত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নবম বেতনকাঠামো নিয়ে কয়েক দিন ধরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আলোচনা ও সমালোচনার মূলে বস্তুত চারটি বিষয় ঘুরেফিরে আসছে—বেতন বৃদ্ধির যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা; মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা; সরকারের আর্থিক সক্ষমতার চ্যালেঞ্জ এবং বেসরকারি খাতের বেতনকাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্য।
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট। বিশ্বজুড়ে শুরু হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ও নৃশংস অধ্যায়। চারদিকে বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা।