রাষ্ট্রনায়কদের জন্য গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ
বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র দিন। গৌতম বুদ্ধের জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে দিনটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র দিন। গৌতম বুদ্ধের জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে দিনটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর মৃত্যুর ঘটনাটি তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়। এটি একটি বৃহত্তর প্রশ্ন তোলে, রাষ্ট্রের আইনগত কাঠামো কি নাগরিককে প্রাথমিক ন্যায়বিচারের দরজায় সহজভাবে পৌঁছাতে দিচ্ছে, নাকি প্রশাসনিক বিভাজন সেই দরজাকেই জটিল করে তুলছে?
সম্প্রতি চলে গেলেন রঘু রাই। গুণী একজন আলোকচিত্রী। গত দুই বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
সরকার বদলায়, নীতিনির্ধারক বদলায়, স্টিয়ারিং ধরার হাত বদলায় কিন্তু বাস বদলায় না। এই অমরত্বের রহস্যটা সেদিনই বুঝলাম। বিআরটিএ নতুন বাসের দামে ভাড়া নির্ধারণ করে। কিন্তু রাস্তায় চলে ২০ বছরের পুরোনো বাস। অর্থাৎ আমরা নতুনের ভাড়া দিই, পুরোনোতে চড়ি। অর্থনীতির ভাষা জানি না, তবে আমাদের ভাষায় একে বলে—ঠগবাজি।
২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস বাংলাদেশকে নিয়ে একটি অস্বস্তিকর বার্তা দিয়েছে।
গত ২০ মাসে রাউজানে ২২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ১৬টি রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে। এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়; বরং ট্রমায় কবলিত হওয়া কিছু পরিবারের সদস্যের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর হাহাকার তুলে ধরে। আর মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আতঙ্কের কথাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়। সর্বশেষ বিএনপির কর্মী কাউসারুজ্জামানের নির্মম হত্যাকাণ্ড আবারও সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে—রাউজান কি ধীরে ধীরে সহিংসতার এক স্থায়ী ভূখণ্ডে পরিণত হচ্ছে?
ঢাকার ট্রাফিক সমস্যা মূলত সড়কের নয়, এটি একটি ভেঙে পড়া নগর শাসনব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি।
যুদ্ধ বা বাণিজ্য, সব জায়গায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বের বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা
একটি শিশুর লাশ যখন বাবার কাঁধে ওঠে, তখন তা কেবল একটি পরিবারের ব্যক্তিগত শোক থাকে না; সেটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্র, সমাজ ও জনস্বাস্থ্যব্যবস্থার কাছে এক নির্মম প্রশ্ন।
গুপ্ত রাজনীতি কোনো গুণ নয়, বরং এটি পরিশীলত রাজনীতিচর্চার বড় অন্তরায়। যাঁরা মনে করেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য গুপ্ত রাজনীতি জিইয়ে রাখবেন, তাঁরা কখনোই কোনো জাতির মূল্যবান সম্পদ নন।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ নিয়ে একটা অদ্ভুত বাস্তবতা আছে। একদিকে ছাদে ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর সম্ভাবনা অফুরন্ত; রোদ তো আমাদের কোনো দিন কম পড়েনি।
আমেরিকায় পড়ালখা শেষ করে ভাবছিলাম, যদি সেখানে থেকে যাই, তাহলে তো নিজ দেশের জন্য কিছু করা হবে না।
একটা বহুতল ভবনের অতি ঠান্ডা ঘরে ‘জেন্ডার’ নিয়ে ভাবগম্ভীর আলোচনা চলছিল। বলা বাহুল্য, এসব আলোচনায় প্রধানত নারীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে চার লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে না। অথচ দুই বছর আগে তারা নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করেছিল।
একই প্রকল্পের আওতায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বর্তমান যুদ্ধের সময় দুই মাসের কম, স্থলযুদ্ধ প্রায় হয়নি বললেই চলে, বন্দী নেই, আর আলোচনায় আসতে হবে মূলত দুই পক্ষকেই। ফলে কূটনীতি কিছুটা সহজ মনে হতে পারে।
মেলায় কৃষকের বিয়ের কথা উঠতে পারে? নিশ্চয় পারে। এ রকম একটি বৈশাখী মেলা বসেছিল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পীরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। গ্রামের সব মানুষ চাঁদা দিয়ে প্রতিবছর এ মেলার আয়োজন করেন। মেলার অন্যতম আকর্ষণ থাকে লাঠিখেলা, বৈশাখী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আমরা নিজেদের বাংলা ভাষায় ‘অনুন্নত’ বলতে চাই না। আদর করে বলি ‘স্বল্পোন্নত’। স্বল্পোন্নত বলার মধ্যে একধরনের শ্লাঘাবোধ আছে। মানে, আমরাও উন্নত, তবে একটু কম।
জীবনে একবার হজ করা ফরজ। সামর্থ্যবানদের জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হজ করা সুন্নত। সুযোগ থাকলে বারবার বা প্রতিবছর হজ করাতে কোনো বাধা নেই।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ বছরের শুরুতে বলেছিলেন, বিশ্ব এখন ‘একটি রূপান্তরের মধ্যে নয়, বরং একধরনের ভাঙনের মধ্যে রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বের উত্তাল তেলবাজারের ঢেউ এখন বাংলাদেশের কৃষকের বোরো খেতে এসে পড়েছে।
ঢাকার একটি পোশাক কারখানার মালিক গত বছর হিসাব কষে দেখলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল তাঁর উৎপাদন ব্যয়ের প্রায় ২২ শতাংশ।
ভোট আবহে কলকাতা এলাম। এমন টান টান, এ রকম ‘কী হয় কী হয়’ নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে আগে হয়নি। সম্ভাব্য ফল ঘিরে এমন সাসপেন্স, চৈত্র মাসের দ্বিপ্রাহরিক তাপপ্রবাহের মতো তপ্ত সমাজ এবং যুযুধান দুই প্রধান শিবিরের মধ্যে ঘৃণামিশ্রিত এত প্রবল রেষারেষি বঙ্গসমাজ অতীতে দেখেনি।