২০ বছর ধরে খেলছি, কিন্তু এই প্রথমবার লজ্জা লাগছে
১৯৯১ সালে স্বাধীন হওয়ার পর এটাই ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। মাঠে দলের এমন পারফরম্যান্সে হতাশা লুকাতে পারেননি মদরিচ।
১৯৯১ সালে স্বাধীন হওয়ার পর এটাই ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। মাঠে দলের এমন পারফরম্যান্সে হতাশা লুকাতে পারেননি মদরিচ।
উয়েফা নেশনস লিগে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ইংল্যান্ড। টমাস টুখেলের পরিকল্পনা ও দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবলে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হলো ক্রোয়েশিয়া।
বিষাদ–রেখাটা মাঝে রেখে দুই পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুই কিংবদন্তি— ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদরিচ।
আগামীকাল রোনালদো-মদরিচের দেখা হয়ে যাচ্ছে পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়ার শেষ ৩২–এর ম্যাচে। এটাই হয়তো বড় কোনো মঞ্চে তাঁদের শেষ দেখা!
কে বিদায় নেবে? এই প্রশ্নের নিশ্চিত কোনো উত্তর আমার কাছে নেই। তবে যদি দল হিসেবে বিবেচনা করি, তাহলে আমি পর্তুগালকেই এগিয়ে রাখব।
টরন্টোয় পানামাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে ক্রোয়েশিয়া। হারে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে মধ্য আমেরিকার দেশটির।
বিশ্বকাপে ডালাস স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড–ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে দেখা গেল ছয় গোলের ‘থ্রিলার’। শেষ পর্যন্ত জিতেছে ইংল্যান্ড।
প্রায় দুই দশক পরে সেই লুকা মদরিচ আজ ডালাসের মাঠে নামছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। বয়স ৪০, খেলবেন ক্যারিয়ারের ১৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
কয়েক বছর ধরে রিয়ালের অধিনায়কত্ব এক অদ্ভুত কাকতালীয় গল্প বলে। অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর মৌসুম শেষেই বিদায় নিতে হয় অধিনায়ককে।
গালের হাড় ভেঙে যাওয়ায় এই মৌসুমে আর মাঠে নামতে পারবেন না মদরিচ। তবে ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক বিশ্বকাপের আগে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।
চল্লিশ পেরিয়ে এডেন জেকো বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার পথে। ওয়েলসকে হারিয়ে প্লে–অফ ফাইনালে ইতালির সামনে দাঁড়িয়েছে বসনিয়া। রোনালদো-মদ্রিচের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জেকোর অপেক্ষায় ইতিহাসের দরজা।