অক্টোবরে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি আসছে: রোসাটম
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই ইউনিটের প্রয়োজনীয় সব জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে।
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এই ইউনিটের প্রয়োজনীয় সব জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে।
আজ বুধবার গুলশান কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার খোজিন।
আগামী মাসে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে আগামী বছর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘বালিশ-কাণ্ড’ একসময় জাতীয়ভাবে আলোচিত হয়েছিল।
সিএজির নিরীক্ষায় রূপপুরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনায় প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের তথ্য উঠে এসেছে।
মস্কোতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে। আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ২১টি ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে প্রতিটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা বাজারদরের ১৮ গুণ বেশি। সিএজির তদন্তে শুধু ড্রেসিং টেবিলে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনায় মহা দুর্নীতি: ৮৯ হাজার ৯০০ টাকায় ৬০টি বালিশ কেনা হয়েছে, সরকারের ক্ষতি ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সিএজির তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। টিআইবি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অর্থ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি মো. গোলাম মাহবুব এবং সাধারণ সম্পাদক এ টি এম গোলাম কিবরিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ‘মাহবুব-কিবরিয়া’ পরিষদ প্রধান শক্তি অর্জন করে। আগামী দুই বছর তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি ব্যবহার শুরুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে এমন সব বক্তব্য ছাড়াচ্ছে ফেসবুকে, যা তাঁরা বলেননি।
দেশের সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম বা পারমাণবিক জ্বালানি প্রবেশ শুরু।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম ডিজির সাক্ষাতে রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের ব্যবহার শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সফল ও দ্রুত বাস্তবায়ন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
পাবনার রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের ব্যবহার শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার।
রূপপুরে কাজ করতে এসে গ্রামের মানুষদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে রাশিয়ানদের। এখন তাঁদের দেখলে বোঝাই যায় না দুই দেশ ও দুই ভাষার নাগরিক তাঁরা।
পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের চূড়ান্ত ধাপে যাত্রা শুরু করছে বাংলাদেশ।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমি প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছি।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন শুরু করতে প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স পেল রূপপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ২০২৩ সালে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট এবং পরের বছর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়সূচি থেকে ইতিমধ্যে তিন বছরেরও বেশি পিছিয়ে গেছে। এই বিলম্বের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রাশিয়ার রোশাটমকে বাংলাদেশকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) পৃথক পৃথক তিন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ৬ষ্ঠ থেকে ১৯তম গ্রেডে মোট ৫২১ জন নিয়োগ পাবেন।
ডলারের হিসাবে প্রকল্পের খরচ বাড়েনি, টাকার হিসাবে খরচ বেড়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। ১০ বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৪২ টাকা।