চার্জারের সাতকাহন
এই যে Made in China লেখা আছে। মানুষ হলে কী লিখত জানেন? Made in Facebook. বাস্তব জীবনে কিছু না, কিন্তু প্রোফাইলে বিশ্ব বিজয়ী।
এই যে Made in China লেখা আছে। মানুষ হলে কী লিখত জানেন? Made in Facebook. বাস্তব জীবনে কিছু না, কিন্তু প্রোফাইলে বিশ্ব বিজয়ী।
একদিন নিশ্চয় আবার আমাদের বিদ্যুৎ থাকবে। গ্যাসও থাকবে। সেদিন হয়তো আমাদের নাতি-নাতনিরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করবে, ‘দাদু, তোমাদের সময় কি সত্যিই বিদ্যুৎ চলে যেত?’
‘আমার একটা ইচ্ছা আছে, পূরণ করবেন?’—এই কথাটা বললে মনে হয়, অনেক কঠিন কাজও সহজে করিয়ে নেওয়া যেত!
অর্থমন্ত্রীর মতো কারা কারা চাইলেই কাল সকাল থেকে কী কী দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন, তা নিয়ে রস+আলোর ভাবনায় এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার ঈহা।
গ্রামের রাস্তা মেরামতে কোটি টাকার কম্পিউটার! ৩০ লাখের সফটওয়্যার!
না! আমি বলব, স্যারের আইকিউ। তিনি সাইকোলজিস্ট ছিলেন, কাকে দিয়ে কী হবে বুঝতেন। আমাকে ফাজিল চরিত্রে নেওয়ার পুরো কৃতিত্ব তাঁর।
‘ভাবি, আপনাদের বিয়ের একজন সাক্ষী আমি। স্পষ্ট মনে আছে, আপনি বলেছিলেন, আশিক ভাইকে ভালোবাসা দিয়ে বেঁধে রাখবেন। এই তার নমুনা?’
এসেছে পিংক বাস! কিন্তু এসেই জনজীবনে ছুড়ে দিয়েছে কিছু চ্যালেঞ্জ, বাসগুলো এরই মধ্যে বাড়িয়ে দিয়েছে টেনশন! বলা তো যায় না, কখন এ বাস আবার হারিয়ে যায়।
বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই।
যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, এই বাহিনী সেই বাহিনী নয়, এখানে বাহিনীর আইনকানুন থাকবে। আগে তারা যা করত, এখন আর করবে না।
মনে মনে ভাবলাম, এ তো সরাসরি আমার চলাফেরার স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ! আমার প্রতিবাদী মন তখন স্লোগান দেওয়ার প্রস্তুতি নিল—‘তুমিও জানো, আমিও জানি...’ তারপর থেমে গেল।
স্কুলের ক্লাস চলাকালে এক আয়া ও শিক্ষার্থীদের ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কৌতুকপূর্ণ ঘটনা ঘিরে তৈরি হয় হাসির আবহ।
রস+আলোর পাঠকদের জন্য বর্তমান সময়ের তুমুল আলোচিত-সমালোচিত এক চরিত্র, যাকে একনামে সবাই চেনেন, সেই মহামান্য বিদ্যুৎ মশাইয়ের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হলো।
বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং একজন সম্পাদকের ওপর চারপাশের প্রত্যাশার এক রম্য অভিজ্ঞতা।