আঁধার গলির জীবন পেরিয়ে আলোর ঠিকানায় ভাসমান যৌনকর্মীরা
রাজধানীর মুগদার বেশ পুরোনো একটি জীর্ণশীর্ণ ভবন। নিচতলায় পা রাখতেই চোখে পড়ে ছোট ছোট স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার কয়েকটি গলিঘর।
রাজধানীর মুগদার বেশ পুরোনো একটি জীর্ণশীর্ণ ভবন। নিচতলায় পা রাখতেই চোখে পড়ে ছোট ছোট স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার কয়েকটি গলিঘর।
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন সম্পর্কের শাস্তির বিধান নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন; প্রশ্ন তোলা হয়েছে এই আইনটির সাংবিধানিকতা নিয়ে।
হালালা সেন্টার নামে হিল্লা বিয়ে করার জন্য পুরুষদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। এতে অনেকে সাড়া দেন। এরপর তাদের সেসব জীবনবৃত্তান্ত ফাঁস হয়ে পড়ে।
এপস্টিন ২০১৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে মারা যান
দেশে শিশু নির্যাতন নিয়ে সাম্প্রতিক জন-আলোচনায় একটি লক্ষণীয় বৈপরীত্য ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা যথার্থভাবেই নৈতিক উদ্বেগের কেন্দ্রে অবস্থান করলেও পথশিশু ও ছেলেশিশুর প্রতি প্রতিদিনের সহিংসতা, শোষণ এবং অবহেলা থেকে যায় আলোচনার প্রান্তে, যা মূলত দৃশ্যমান বাস্তবতার মধ্যেই অদৃশ্য হয়ে যায়।
এপস্টিনের নথিতে নারীদের সাধারণত পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে
ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা গেছে, এপস্টিন অনিল আম্বানির সঙ্গে ব্যবসা, নারী ও বৈঠক নিয়ে যোগাযোগ করতেন।
ইসরায়েলের জনসংখ্যাগত কাঠামো বদলানোর প্রচেষ্টা নিয়ে আলাপ করছিলেন এপস্টিন ও এহুদ বারাক।
রাজধানীর এ স্থানে তিনি ২০২৪ সাল থেকে ভাসমান যৌনকর্মীদের সন্তানদের জন্য এই নিরাপদ আশ্রম চালু রেখেছেন।
এপস্টেইন অভিজাতদের ভোগবিলাসকে শুধু ব্যবহার করেননি। তিনি সেটিকে অস্ত্রে পরিণত করেছিলেন। অধিকারবোধকে চাপের উপকরণে, বাড়াবাড়িকে দুর্বলতায়, আর বিশেষাধিকারকে ফাঁদে রূপান্তর করেছিলেন।
এপস্টেইন কেলেঙ্কারির ভয়াবহতায় একটি দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সম্ভবত কাকতালীয় কিছু নয়। এই কেলেঙ্কারি এখন আমেরিকার অভিজাত শ্রেণির বিস্তৃত অংশকে জড়িয়ে ফেলেছে। এটি আধুনিকতার একটি কল্পনা ও তার অন্যতম নৃশংস নৈতিক বিভীষিকাকে একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে।
এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন।
গতকাল শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় পুলিশ।
রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় একটি ‘ড্রপ ইন সেন্টারে’ (যেখানে ভাসমান যৌনকর্মীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হয়) চলতি জানুয়ারি মাসেই চারজন যৌনকর্মীর সিফিলিস ধরা পড়েছে।
এক্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবট গ্রোক ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই নগ্ন ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি তৈরি করে