অবিরাম বোমার মধ্যে কীভাবে চলছে জীবন, তেহরানবাসীর ডায়েরিতে
যুদ্ধ চলছে, একের পর এক বোমায় প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী তেহরান। সেখানে জীবন এখন কেমন আতঙ্কের, তা প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়।
যুদ্ধ চলছে, একের পর এক বোমায় প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী তেহরান। সেখানে জীবন এখন কেমন আতঙ্কের, তা প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়।
ইরান যুদ্ধের মধ্যে ভারতে রান্নার গ্যাস নিয়ে হাহাকার বেড়েই চলেছে। রাজ্যে রাজ্যে অশান্তি ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থাকে অস্থির করে রেখেছে। এই সংঘাতগুলো শুধু আঞ্চলিক সামরিক দ্বন্দ্ব নয়; এর প্রভাব এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে শুরু করে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা আর জীবনযাত্রায় সরাসরি আঘাত হানে।
ইরানের ড্রোন কৌশলের পেছনে রাশিয়ার হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়লেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা এখন বিতর্কে জড়িয়েছেন, কখন ও কীভাবে এই যুদ্ধে ‘বিজয়’ ঘোষণা করা উচিত।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ ভারত বিবেচনা করছে।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট সুসংগঠিত।
মিনা বলেন, ‘যে রাতে ডিপোতে হামলা হলো, আমাদের পুরো ফ্ল্যাট কেঁপে উঠেছিল। জানালায় এমন আলোর ঝলকানি খেলে গিয়েছিল যে মাঝরাতেই মনে হয়েছিল সকাল হয়ে গেছে।’
যুদ্ধের বাড়তি খরচ মেটাতে হোয়াইট হাউস দ্রুতই কংগ্রেসে তহবিলের আবেদন করতে পারে।
জ্বালানি তেল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ডলারের দাম বাড়ছে। আমদানিতে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরানে মেয়েদের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মুখে ইরানি সামরিক বাহিনী তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করছে।
বাড়তি জ্বালানি চেয়ে ভারত সরকারকে আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ
ইরানকে কয়েক দিনের যুদ্ধে পরাভূত করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে, এখন ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরানের জনগণকে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল।
ঢাকা চেম্বার বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমজু প্রণালি দিয়ে যেতে পারছে না। এর ফলে প্রতিদিন বৈশ্বিক সরবরাহ প্রায় দুই কোটি ব্যারেল কমে যাচ্ছে।
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের পর সরকারি ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে আজ বুধবার জাতীয় পরিষদ (এনএ) সচিবালয় নতুন মিতব্যয়িতা নীতি ঘোষণা করেছে।
জ্বালানি তেল আমদানির উৎস বাড়াতে চায় সরকার
চুক্তির বাইরে ভারত থেকে বাড়তি তেল আনার প্রস্তাব। কম দামে ডিজেল আনতে দরপত্র ছাড়া তেল কেনার চিন্তা।
ইরান যুদ্ধের কারণে জাহাজ পরিবহনের খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি ব্যয় শেষমেশ ভোক্তাদের ওপরই চাপানো হবে—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানির প্রধান বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।
যুদ্ধের শুরুর দিকে দক্ষিণ ইরানের মিনাবের একটি মেয়েদের স্কুলে বোমা হামলায় ৭ থেকে ১২ বছর বয়স দেড় শতাধিক শিশু নিহত হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।