যে কারণে ইরানে যুদ্ধের বিরুদ্ধে বেশির ভাগ আমেরিকান
গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।
গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।
৪ মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশের পর এটি ভয়াবহ হামলার শিকার হয়। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত ৩২ জন নাবিককে জীবিত ও ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ইরান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নীতি বিশ্লেষণ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
এফবিআইয়ের পরিচালক লিখেছেন, জোবাইদুলকে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় নিয়ে এসেছে এফবিআই।
কুর্দি বাহিনীকে ইরানে হামলা করতে সরাসরি উসকানি দিয়েছেন ট্রাম্প।
লিওনেল মেসি ও তাঁর ক্লাব ইন্টার মায়ামির সতীর্থরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় মেসির বেশ প্রশংসা করেন ট্রাম্প।
কয়েক মাস ধরে বিতর্ক চলার পর গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি বরখাস্ত হন।
হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরান থেকে আসন্ন হুমকি মুক্ত করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’ তবে হামলার আগে ইরান সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে ছিল।
এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন স্থল সেনা ইরানের অভ্যন্তরে ঢোকেনি।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেন, ঘটনাটি তদন্ত করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ। একদিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে ইরান। শক্তিমত্তার দিক দিয়ে বিচার করলে এটি একটি অসম লড়াই। এটি কত দিন চলবে, কে জানে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।
নতুন দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের হারানোর পরও ইরানের পাল্টা আক্রমণ যুদ্ধের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিচ্ছে।
নস্ট্রাডামাস ছিলেন ১৬ শতকের একজন ফরাসি জ্যোতিষী
১৪ এপ্রিল পাঁচটি ছোট মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে।
পাড়ার মাতাল মাস্তান যেভাবে ক্ষমতা দেখায়, গর্বের সঙ্গে খুন-জখমের কথা বলে, ইচ্ছেমতো মানুষজনকে অত্যাচার করে, যেভাবে আইনকানুনের তোয়াক্কা না করার বাহাদুরি করে, সে রকমই আমাদের এখন দেখতে হচ্ছে বিশ্বের প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও তাঁর দলবলকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা না–ও ভূপাতিত করতে পারেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা।
এর মধ্যেও ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। এর কারণ হলো, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক প্রতিশ্রুতি।
সকাল ৯টার দিকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বাসায় পল কাপুরের সঙ্গে জামায়াত ইসলামী প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
কীভাবে এবং কত দ্রুত এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তা সত্ত্বেও বিশ্লেষকদের মতে, আদালতের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা।
ইসরায়েলি অর্থনীতিবিদ শির হেভার বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলে সামরিক উন্মাদনার জোয়ার বয়ে গেছে।
গ্যাসের সরবরাহ কমেছে, কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র বেশ জোর দিয়েই বলছে, দীর্ঘস্থায়ী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাদের সামরিক বাহিনীর রয়েছে।