ইরানে কোথায়, কীভাবে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ওয়াশিংটন ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে বারবার হুমকি দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ওয়াশিংটন ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে বারবার হুমকি দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি নথিতে এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারও নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে এই আসর বসবে।
যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
প্রশ্ন উঠছে, আগামী আড়াই বছরে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক—দুই বড় আয়োজনই যখন যুক্তরাষ্ট্রে, তখন দেশটির পররাষ্ট্রনীতির প্রভাব খেলাধুলার সংস্থাগুলোর ওপর কীভাবে পড়বে?
ওয়াশিংটনকে ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে তেহরান আঞ্চলিক মিত্রদের অনুরোধ করেছে।
সূত্র বলছে, ইরানে রাস্তায় চলা বিক্ষোভ ও বিদেশি চাপ সত্ত্বেও দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনো বিশ্বাসঘাতকতার মনোভাব দেখা যায়নি।
এসব বিশৃঙ্খলা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বিপুল অনিশ্চয়তা ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই বৈশ্বিক অস্থিরতার পেছনে একমাত্র না হলেও প্রধান চালিকা শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বের ধনী দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সবার শেষে।
ইরানি স্টারলিংক ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা একজন প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এক্স পোস্টে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের এই ‘কৌশল’ আবারও ব্যর্থ হবে।
সিবিএস ইভনিং নিউজের উপস্থাপক ট্রাম্পের কাছে ইরানে বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া কথিত ফাঁসি কার্যকর হওয়ার বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে তিনি ওই মন্তব্য করেন।
মাস্টার্স শেষ করার পর ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে মাস কমিউনিকেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের জন্য ভর্তি হন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন।
পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি বহর মোতায়েন নেই। ফলে যেকোনো অভিযানে নির্ভর করতে হবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা কাতারের ঘাঁটির ওপর।
বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
গতকাল মামদানি নদী–তীরবর্তী নতুন বাসভবনের লনে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন।
ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।
ট্রাম্পের করা মানহানির দাবির পেছনে শক্ত কোনো প্রমাণ নেই বলে দাবি করেছে বিবিসি।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা ভারতের চিন্তা নতুন করে বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভারতের ওপর চাপানো শুল্কহার ৫০ থেকে বেড়ে ৭৫ শতাংশ হয়ে যাবে?
কিছু মানুষকে বৈধ ভিসা থাকার পরও বিতাড়িত করা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকেরা জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেপ্তার ও আটক হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।
গত কয়েক দিনে ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন রেজা পাহলভি।
ইলিনয় অঙ্গরাজ্যও একই ইস্যুতে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।