ইরানে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়ে সেদিনই সিদ্ধান্ত বদলালেন ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।
মোট 579 টি সংবাদ · পৃষ্ঠা 9 / 25
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।
বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রমে চীন নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
ইরানে আয়োজন করা হয়েছে গণবিয়ের। জমজমাট আয়োজন।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পুরোদমে জ্বালানি তেল সরবরাহ জুন মাসের শেষে শুরু হবে।
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যার পুরস্কারবিষয়ক একটি বিলের ওপর ভোট দিতে যাচ্ছেন ইরানি আইনপ্রণেতারা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার তিনি ইরানে নতুন করে বড় হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে ইরানের জনগণকে অস্ত্রে হাতে তোলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
তবে ইরানের নেতৃত্বের প্রতি ট্রাম্পের কঠোর কূটনৈতিক অবস্থান নমনীয় করার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।
ওয়াশিংটন পাঁচ দফার একটি তালিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান কেবল একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে পারবে।
ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের কোনো আস্থা নেই। তিনি জানান, ওয়াশিংটন চুক্তির বিষয়ে আন্তরিক হলেই কেবল আলোচনায় বসতে আগ্রহী তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি নিয়ে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও হুমকি সত্ত্বেও ইরান আত্মসমর্পণ করছে না, বরং প্রতিরোধ জোরদার করছে। এই কৌশল যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দীর্ঘ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।
ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।
হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একমত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরান এই জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প-সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এই বিষয় আলোচিত হবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব গোপনে ইরান ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এটি আগে অজানা ছিল। উত্তেজনা কমাতে দুই দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছায়।
ইরান যুদ্ধে নিজের অদূরদর্শিতার ফলে ফাঁদে আটকে পড়েছেন ট্রাম্প। ইরানের তরুণ প্রজন্ম শাসকদের মৌলবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অর্থনৈতিক সংকটে জনক্ষোভ তুঙ্গে। ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।
ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানিসংকটে পড়া ইউরোপ চীনের কৌশল অনুসরণ করে অরাজক বিশ্বে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। চীনের আগাম প্রস্তুতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুল্ক ও বাণিজ্য অস্ত্র ব্যবহার করে ইউরোপ নিজেদের সুরক্ষা করতে পারে।
২০২৬ সালে ইরানবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ইরানের শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা অবমূল্যায়ন করায় এই যুদ্ধ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধের প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর সুবিধাজনক নয়।
ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।
ইরানে হামলার জন্য ইসরায়েল ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। ইরাকি সেনারা ঘাঁটির খোঁজ পেয়ে যাওয়ায় ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়, এক সেনা নিহত হন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।