ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা: দুই রাতে ১৭০ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত
ইরানে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।
মোট 579 টি সংবাদ · পৃষ্ঠা 4 / 25
ইরানে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
জানাজায় সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি না থাকলেও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অন্য তিন ছেলে উপস্থিত ছিলেন।
তেহরানে খামেনির জানাজার সময় ইরানের প্রতি ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেখানে রাখা শোক বইয়ে সই করেন।
এক তরুণী কথা বলতে রাজি হন। চীন থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরেছেন তিনি। জানান, যুদ্ধের কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকতেই দেশে এসেছেন।
টানা সাত দিন ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার চার মাস পর ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে তাঁর দাফনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নানা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে।
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি আলোচনা শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কোনো শান্তিচুক্তি নয়। এমনকি শান্তিচুক্তির একটি বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো বলেও একে ধরা যায় না।
ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। তারা এখন সামরিক শক্তি বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
ইরানের আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
হরমুজ প্রণালিতে গতকাল শনিবার একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও ইরানের মধ্যে যে এলোমেলো, অসংলগ্ন কূটনীতি চলছে, তা দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে যে বিশ্বরাজনীতি যেন সম্পূর্ণ দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে।
মিনাবের স্কুলে হামলার পর মার্চ মাসে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলেছিল, ওই হামলা সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো টার্গেটিং তথ্য ব্যবহারের ফলাফল ছিল।
মার্কিনরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে এক চরম বিপর্যয় বলে মনে করেন এবং যেকোনো মূল্যে এর অবসান চান।
ভবিষ্যতের এসব আলোচনা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কীভাবে সামলান, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ।
ভীতিকর অবস্থা ছিল, যদি কোনো কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কারণ, ওপরে ড্রোনের ভয়, আর নিচে মাইন কিংবা ছোট সাবমেরিনের ভয়।