মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর নতুন করে একগুচ্ছ
ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। ট্যাংকার-ট্র্যাকিং বিশ্লেষকদের মতে, সমুদ্রপথে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি যায় চীনে।
মোট 579 টি সংবাদ · পৃষ্ঠা 2 / 25
ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। ট্যাংকার-ট্র্যাকিং বিশ্লেষকদের মতে, সমুদ্রপথে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি যায় চীনে।
ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেলা ৮০ লাখ টন বোমায় কাজের কাজ কিছুই হয়নি; বরং তা সেখানে কমিউনিস্টদের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন বাড়াতে সাহায্য করেছিল।
সরাসরি সামরিক সংঘাতের বদলে এখন অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে লিপ্ত ওয়াশিংটন ও তেহরান।
গত বুধবার ট্রাম্প বলেন, ইরানকে সহায়তা করে বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করে—এমন যেকোনো দেশকে ‘ভয়াবহ’ অর্থনৈতিক শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের ফলে সামরিক ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের উপস্থিতি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পাঁচ মাসের বেশি সময় পার হলেও সংঘাত অবসানের চুক্তির সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। এই প্রেক্ষাপটে ইরান কীভাবে ‘শাসনের টিকে থাকা’কে কেন্দ্র করে সমঝোতার কৌশল নেয়—সেটি তুলে ধরা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা না কাটলে ইরানের বন্দরগুলোতে ‘অনির্দিষ্টকাল’ নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দেশটি দাবি করছে, হরমুজ প্রণালি তাদের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। তবে ইরানের অবস্থান, নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই এবং তেহরানের শর্ত না মানলে জলপথ খোলা হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গোপনীয়তা বজায় রেখে চলাচল আর ট্রাম্পের ক্যাটারিং ট্রাকের ভেতরে লুকিয়ে এক উড়োজাহাজ থেকে আরেক উড়োজাহাজে যাওয়ার বিষয়টি লোকে এক চোখে দেখছে না।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা ফের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাব এল–মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের হামলায় চার নাবিক নিহত এবং ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি খুলবে না বলে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বক্তব্যসহ নতুন কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
নতুন সপ্তাহে দেশে-বিদেশে কী ঘটতে পারে, কোন খবরগুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং কোথায় থাকবে বাংলাদেশের নজর। জেনে নিন প্রয়োজনীয় তথ্য, বিশ্লেষণ ও আগাম ধারণা।
ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বড় একটি অংশই সংঘাত থামিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে।
ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খোঁজার কথা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন।
ইরানের সঙ্গে আলোচনার পটভূমিতে ইতিবাচক বার্তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী করিম ঘারিবাবাদি। একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্রের মজুত–সংক্রান্ত সমস্যার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের ইরানকে নতি স্বীকার করানোর কৌশল ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
অস্ত্রসংকট নিয়ে প্রেসিডেন্টকে পুরোপুরি অবহিত না রাখার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প-হেগসেথের মধ্যে আলোচনা, পাশাপাশি ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনের বিরোধিতা ও প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য বক্তব্য।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরান যুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন।
হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়ায় চরম অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মুখে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো।
ইরানের বিরুদ্ধে বড় হামলার হুমকি দিয়ে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প; তবে আলোচনার দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা আপাতত স্থগিত রেখেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মূলত ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের কারণে নিজের দেশেই তিনি ও তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কিন নাগরিকই এ যুদ্ধের বিপক্ষে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সংকট, সম্ভাব্য কূটনৈতিক বিকল্প, এবং তৃতীয় পক্ষগুলোর উদ্বেগ তুলে ধরেছে এই প্রতিবেদন।
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সৌদি আরবের নিজস্ব যুদ্ধবিমানগুলো পূর্ব ইরাকে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।