ট্রাম্পের ব্যক্তিগত স্বাগতম, গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সি চিন পিং
ইরানের প্রতি চীনের সমর্থনের বিষয়টি ট্রাম্প বারবার খাটো করে দেখিয়েছেন। চীনের বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন ইঙ্গিতও কখনোই ওয়াশিংটন দেয়নি।
ইরানের প্রতি চীনের সমর্থনের বিষয়টি ট্রাম্প বারবার খাটো করে দেখিয়েছেন। চীনের বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন ইঙ্গিতও কখনোই ওয়াশিংটন দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি যৌথভাবে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে, তবে চীনের অর্থনৈতিক ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ৫ থেকে ১১ গুণ বেশি হবে।
চীনে দুই বিশ্বনেতার অভ্যর্থনায় বাহ্যিক মিল থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ড্রোন তৈরির কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা বা যুদ্ধ দপ্তর পেন্টাগন।
সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ইরান নিয়ে ধৈর্য হারানোর কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে দুই নেতা একমত। এদিকে প্রণালিতে জাহাজ আক্রমণের ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ছে।
এই ব্যবসায়ীরা সম্ভবত বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও ব্যবসায়িক চুক্তি সইয়ের চেষ্টা করবেন। শেষ মুহূর্তে সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং।
চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফর করেছেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। চীন তাঁকে নতুন চীনা নাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনা এখন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।
ইরান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় আটকে থাকা সামনে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য ছাড়াও সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনকে তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বলতে পারেন ট্রাম্প।
চীনের সামরিক পরিকল্পনাবিদেরা দীর্ঘকাল ধরে তাইওয়ানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়ে গবেষণা করছেন।
প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরের গভীরে এক নীরব অভিযান চালাচ্ছে চীন।
গতকাল ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেছেন। ছবি: ইন্টারন্যাশনালে চায়না–ইউকে নামে
ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কের কারণে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।
১৯৯২ সালে চীনের নেতা দেং শিয়াওপিং একটি বড় খনিজ এলাকা দেখতে ইননার মঙ্গোলিয়ার বাওতু শহরে গিয়ে বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের আছে তেল আর চীনের আছে রেয়ার আর্থ।
চীন দূতাবাসের মুখপাত্র বলেছেন, এসব মন্তব্যে ‘ভুল-শুদ্ধ’ গুলিয়ে ফেলা হয়েছে আর এর পেছনে স্পষ্টভাবেই ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ রয়েছে।
মাদুরোকে তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে অনেক লক্ষ্য অর্জন করেছে।
তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির অভিযোগে ১০ মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।