‘যদি’ যখন শয়তানের দুয়ার খুলে দেয়
<p>ব্যর্থ হলেই আমরা হিসাব মেলাতে বসি, ‘আহা, আমি যদি সেদিন ওই পথটিতে না যেতাম!’, ‘আমি যদি আরেকটু সতর্ক হতাম, তবে হয়তো এমন ক্ষতি হতো না!’ এই যে অতীতমুখী অনুশোচনার গোলকধাঁধা তা মানুষকে মানসিকভাবে...
<p>ব্যর্থ হলেই আমরা হিসাব মেলাতে বসি, ‘আহা, আমি যদি সেদিন ওই পথটিতে না যেতাম!’, ‘আমি যদি আরেকটু সতর্ক হতাম, তবে হয়তো এমন ক্ষতি হতো না!’ এই যে অতীতমুখী অনুশোচনার গোলকধাঁধা তা মানুষকে মানসিকভাবে...
এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পঙ্কিলতার মধ্যেও যাঁরা নিজেদের চরিত্র ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন, তাঁদের জন্য রয়েছে পরকালের পরম সুসংবাদ।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
মুহাজির, আনসার এবং বনু হাশিম (নবীবংশের) সাহাবিদের তিনটি পৃথক দল ছিল মজলিশে। কথা প্রসঙ্গে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, আমাদের মধ্যে কারা নবীজির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রিয়পাত্র
হাদিসের মূল শব্দ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর নাম-গুণাবলি, ইবাদতের দোয়া-জিকির, জাওয়ামিউল কালিমসহ পাঁচটি বিশেষ অবস্থায় হাদিস অবশ্যই হুবহু বর্ণনা করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে একটি শব্দের পরিবর্তনেই ভুল অর্থ প্রকাশ পেতে পারে।
হাদিসের আলোকে একজন মুমিন কখনো নিজেকে অক্ষম মনে করবেন না। বরং সে জানবে, তার সম্ভাবনা অসীম, যা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের মাধ্যমে বিকশিত হতে পারে।
আমরা মনে করি কেবল নামাজ, রোজা, জাকাত বা হজের মাধ্যমেই এই মুক্তি সম্ভব। কিন্তু নবীজির একটি হাদিস আমাদের সামনে ভিন্ন এক দুয়ার খুলে দেয়।
মহানবীর দাওয়াতি কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ছিল ‘উপমা’। তাঁর উপমা থেকে স্পষ্ট হয় প্রাণ ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কত গভীর ছিল।