লেবার পার্টি ব্রিটেনের মুসলিমদের ভোট কি হারাচ্ছে।
বার্নহাম মুখে নিজেকে আলাদা দাবি করলেই চলবে না, তাঁকে কাজেও তা প্রমাণ করতে হবে। আর তাঁর প্রথম প্রমাণ হবে—তিনি নিজের পাশে কাদের জায়গা দিচ্ছেন।
বার্নহাম মুখে নিজেকে আলাদা দাবি করলেই চলবে না, তাঁকে কাজেও তা প্রমাণ করতে হবে। আর তাঁর প্রথম প্রমাণ হবে—তিনি নিজের পাশে কাদের জায়গা দিচ্ছেন।
আয়োজনের শিরোনাম ছিল, ‘রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন ইন জার্মানি: মুসলিম লাইফ ইন জার্মানি’। বাংলায় বললে, জার্মানির প্রাত্যহিক সামাজিক জীবনে মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে কতটা অন্তর্ভুক্ত হতে পারছে, তা দেখানো। দেশটিতে সাত দিনের সংক্ষিপ্ত; কিন্তু খুবই ব্যস্ত একটা সফর ছিল—৬ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত।
১৯৪০ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ লাহোরে তাঁর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ নিয়ে ভাষণ দেন। শিগগিরই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাওয়া এই নেতা সে সময় দাবি করেছিলেন, ‘হিন্দু ও মুসলমানরা যে কখনো একটি একক জাতীয়তা গড়ে তুলতে পারে—এটি কেবলই একটি স্বপ্ন।’
বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশেষ করে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোয় মুসলিমদের লক্ষ্য করে গণপিটুনি, ঘরবাড়ি উচ্ছেদ ও মসজিদ-মাদ্রাসা ভাঙচুর বাড়ছে।
বলা যায় একরকম পিড়াপিড়ি করেই তাঁকে এই মহান দায়িত্বে বসানো হয়। পরদিনই তিনি কাপড়ের গাট্টি মাথায় নিয়ে সাধারণ মানুষের মতো বাজারের দিকে রওনা হন। তিনি মূলত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকে আশুরার একটি আলাদা ইতিহাস আছে—ইহুদি ও ইসলামি ঐতিহ্যের মধ্যকার একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংযোগের ইতিহাস।
অস্ট্রেলিয়ার কট্টরপন্থী নেত্রী পলিন হ্যানসন দেশের বিদ্যমান বহুসংস্কৃতিবাদ বাতিল, মুসলিম অভিবাসন বন্ধ ও কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিলের মতো একাধিক বিতর্কিত প্রস্তাব পেশ করেন।
ভারতে মসজিদকে মন্দির করার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কট্টর হিন্দুত্ববাদী কর্মীরা ভারতজুড়ে এ ধরনের দাবি করে আসছেন।
একজন মুমিন কীভাবে ঘর থেকে বের হবে, এ বিষয়েও ইসলামের রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও আদব। এগুলোর অনুসরণ করলে ইহকালীন কাজকর্মও ইবাদত হবে।
সপ্তাহখানেক বাদেই পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা। সময়টা উৎসব ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের হলেও মন ভালো নেই নাজিয়ার।
ইসলামি ইতিহাসে কারাগার ছিল শাস্তি ও সহমর্মিতার মিশ্রণ। বন্দিরা পরস্পর খাবার ভাগ করে সাম্যবোধ গড়ে তুলতেন, শাসকরা নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা করতেন। মমলুক সুলতান জহির বারকুক রমজানে প্রতিদিন ২৫টি গরু জবাই করে বন্দিদের মাংস-রুটি বিতরণ করতেন।
ইসলামি ইতিহাসে কারাগার কীভাবে মুসলিম মনীষীদের জ্ঞানসাধনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে, তা তৃতীয় পর্বে বর্ণিত। ইমাম সারাখসি, ইবনে তাইমিয়া প্রমুখ কারাবন্দী অবস্থায় অমর রচনা রচনা করেন। জেলের নির্জনতা তাঁদের জন্য ছিল গবেষণার আশ্রয়।
নবুয়ত যুগ থেকে উমাইয়া ও আব্বাসীয় আমল পর্যন্ত ইসলামি কারাগার ব্যবস্থার বিবর্তন। স্থায়ী জেলখানার প্রতিষ্ঠা, নিপীড়নের ঘটনা এবং মানবিক সংস্কারের ইতিহাস এই প্রথম পর্বে তুলে ধরা হয়েছে। শরয়ি দর্শন থেকে আধুনিক প্রশাসনিক রূপ পর্যন্ত যাত্রা।
আধুনিক ব্যবস্থাপনার ‘আগে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা’ নিয়ম ইসলামের অগ্রাধিকারের ফিকহে হাজার বছর ধরে রয়েছে। হাদিসের আলোকে এর উদাহরণ এবং আলেমদের বিশ্লেষণ দেখানো হয়েছে। এই জ্ঞান আধুনিক ফ্রেমওয়ার্কে উপস্থাপন করলে বিশ্বব্যাপী পরিবর্তন আনতে পারে।
ইসলামি ক্লাসিক যুগের বিখ্যাত ফকিহ, বিচারক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইমাম আল-মাওয়ার্দির জীবনী ও অবদান। বাগদাদের প্রধান কাজি হিসেবে তাঁর দক্ষতা এবং ‘আল-আহকামুস সুলতানিয়া’র মতো গ্রন্থের মাধ্যমে ইসলামি রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেন। তাঁর ইখলাস ও চরিত্রের বিস্ময়কর ঘটনাসমূহও উল্লেখযোগ্য।
সময়ের সঙ্গে এগুলো বদলে যায়, কখনো হঠাৎ ভেঙে পড়ে। ফলে এসবের ওপর নিজের পরিচয় দাঁড় করালে ভেতরে অস্থিরতা ও শূন্যতা তৈরি হয়।
জুওয়াইনি এমন এক রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করলেন, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপর্যয় বা ‘রাষ্ট্রহীন অবস্থা’ কল্পনা করে তার আইনি কাঠামো তৈরি করে রাখে।
তাঁরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করেছিলেন, যাঁরা সকালে ঘোড়ার পিঠে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়তেন, আর রাতে কায়রোর কোনো মাদ্রাসায় বসে সহিহ বুখারির সনদ বিশ্লেষণ করতেন।
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
ফাতেমার সুখ্যাতি তুর্কিস্তানে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন অনেক রাজা–রাজন্য এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ফাতেমার পাণিপ্রার্থী হয়ে দূত পাঠান। কিন্তু পিতা সমরকন্দি সবিনয়ে সবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।
শাসকদের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার যে অধিকার ইসলাম সাধারণ নাগরিককে দিয়েছে, তা চৌদ্দ শ বছর আগে যেমন প্রাসঙ্গিক ছিল, আজও একটি ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপরিহার্য।
ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তার জন্য দুনিয়া না আখেরাতের কল্যাণ চাওয়া হচ্ছে—এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তের বিধান ভিন্ন ভিন্ন হয়।
ইসলামের মৌলিক উৎস কোরআন ও সুন্নাহ নারীকে পুরুষের অনুগামী নয়, পরিপূরক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহেলি যুগের নৃশংস প্রথা উৎখাত করে নারীকে সম্মান ও স্বাধীনতা দিয়েছে। কোরআনের আয়াতগুলো এই সমতার সাক্ষ্য বহন করে।