জীবন্ত হৃদয়: মুমিনকে আল্লাহর দেওয়া আধ্যাত্মিক রিজিক
কিছু রিজিক একই সঙ্গে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য, যেমন শারীরিক সুস্থতা। তবে এসব কিছুর ওপরে পরম এক রিজিক রয়েছে, তা হলো ইমান, সুদৃঢ় বিশ্বাস এবং একটি জীবন্ত ও সংবেদনশীল হৃদয়।
কিছু রিজিক একই সঙ্গে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য, যেমন শারীরিক সুস্থতা। তবে এসব কিছুর ওপরে পরম এক রিজিক রয়েছে, তা হলো ইমান, সুদৃঢ় বিশ্বাস এবং একটি জীবন্ত ও সংবেদনশীল হৃদয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সৌজন্যে অন্যের হাসিখুশি মুখ আর কৃত্রিম সুখের ছবিটাই বেশি দেখি। অথচ একটু আগেই হয়তো সে কারও সঙ্গে রাগারাগি করেছে বা একা বসে কান্না করেছে।
আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশ্বজনীন আহ্বান আছে, নিজের জীবনকে তাঁর কাছে সমর্পণ করার আহ্বান। জীবনের ভেতরে তাঁকে অনুভব করতে হলে ৪টি কথা মনে রাখতে হবে।
ছোট ছোট ভালো অভ্যাসের ধারাবাহিক চর্চাই মানুষকে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী করে। ইসলাম মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে চরিত্র ও আমলের সৌন্দর্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
ভৌগোলিক বা শারীরিকভাবে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দিষ্ট সময় ও ফজিলত অতীত ইতিহাসে পূর্ণতা পেলেও, হিজরতের আত্মিক দরজা কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
ইসলামে সবর বা ধৈর্য মানে আদেশে অবিচল থাকা, পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থাকা।
লোকদেখানো উদ্দেশ্যমুক্ত হয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা। বাহ্যিকভাবে দুজন মানুষ একই কাজ করলেও নিয়তের পার্থক্যের কারণে আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা বদলে যায়।
সময় ব্যবস্থাপনা মানে দৈনন্দিন কর্মঘণ্টাকে সুপরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে কম সময়ে বেশি কাজ করার একটা দক্ষতা। আজ এমন কিছু অভ্যাসের কথা বলা হলো।
সলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এমন একটি দিন পার করে দেওয়া, যেদিনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বা মানবতার কল্যাণে কোনো আমল করা হয়নি।
যেসব অভ্যাস মুমিন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়, লোক সমাজে তার সম্মান-মর্যাদা ক্ষুন্ন করে তা পরিহার করা আমাদের জন্য অপরিহার্য।
ভ্লগিং সংস্কৃতির কারণে মানুষের ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য এখন আর প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ বা মানসিক প্রশান্তি নয়; বরং তা হয়ে উঠেছে কেবলই লাইক, ভিউ ও ভার্চ্যুয়াল জগতে নিজের আভিজাত্য জাহির করার মাধ্যম।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
নিজের পাপরাশি থেকে মুক্ত হতে আল্লাহ–তাআলার কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করা, এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দের একটি আমল।
ইসলাম মানুষের জীবনকে এভাবে ভাগ করেনি যে এক ভাগ দুনিয়া আর আরেক ভাগে ইবাদত। ইসলাম শিখিয়েছে, মানুষের পুরো জীবনই ইবাদত হতে পারে।
প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে সংকটে ভুগছেন। অন্যদিকে সীমিত আয় করেও অনেক মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। কীভাবে? কারণ প্রকৃত স্বাচ্ছন্দ্য উপকরণে নয়।
ফজর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়টুকু হলো রিজিক ও বরকত বণ্টনের সময়। এ সময়ে ঘুমিয়ে থাকা অলসতার লক্ষণ এবং এটি মানুষের মেধা ও কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।
আত্মসমালোচনা শুধু আত্মপর্যালোচনার একটি প্রক্রিয়াই নয়; বরং এটি মানুষের চরিত্র, নিয়ত এবং আখেরাতমুখী জীবন গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
অপরাধী যখন দেখে যে তার অন্যায় সত্ত্বেও দুনিয়াতে তার ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি এবং মান-সম্মান ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন সে এক ধরনের বিভ্রান্তিতে ভোগে।
এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।
কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।