গুম-খুনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠন করবে রাষ্ট্র
গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের নির্ভুল তালিকা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে তথ্যচিত্রের ত্রুটি ঘিরে অনুষ্ঠানস্থলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি, উত্থাপিত অভিযোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরিমার্জন শেষে দ্রুততম সময়ে তথ্যচিত্র প্রকাশের আশ্বাস দিয়েছে তারা।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ জুলাই যোদ্ধা ও আহতদের যথাযথ মর্যাদা ও চিকিৎসা নিশ্চিতে সরকারের দায়িত্বের কথা বলেন।
‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’—অন্তর্বর্তী সরকারের করা এই সংজ্ঞাও বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে এখন আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রে ১৩ মার্চ গিয়ে দেখা যায়, সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাস্কর্যের হাতের অংশ এখনো ভাঙা। আনসার সদস্যদের হাতের রাইফেলগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া অবস্থায় রয়ে গেছে।
মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস ও স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং গবেষণায় উৎসাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেবে সরকার। এই উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়েও গবেষণার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া আহমেদ আযম খানকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
শর্ত পূরণ না হওয়ার কারণ দেখিয়ে প্রায় ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার বাতিল করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ কাজে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করা হবে না। সাক্ষাৎকারের এই ভিডিওগুলোও সংরক্ষণ করা হবে না।