অনলাইনে জীবনসঙ্গী খোঁজার পথটি বৈধ হচ্ছে তো
জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রক্রিয়া সব যুগেই ছিল—কখনো ঘটকের মাধ্যমে, কখনো পারিবারিক যোগাযোগে, কখনো সামাজিক অনুষ্ঠানে। মাধ্যম বদলেছে, প্রয়োজন বদলায়নি।
জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রক্রিয়া সব যুগেই ছিল—কখনো ঘটকের মাধ্যমে, কখনো পারিবারিক যোগাযোগে, কখনো সামাজিক অনুষ্ঠানে। মাধ্যম বদলেছে, প্রয়োজন বদলায়নি।
দেনমোহরের ঘরে একটা বড় অঙ্ক লেখা হয়। বর স্বাক্ষর করেন, কাজি সাক্ষ্য লেখেন, অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। কিন্তু টাকাটা কি দেওয়া হয়? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উত্তর— না।
ইউটিউব চ্যানেল, মনেটাইজড ফেসবুক পেজ, ই-কমার্স স্টোর, যেখান থেকে নিয়মিত আয় হয়। এগুলো সরাসরি সম্পদ এবং শরিয়তের উত্তরাধিকার বিধান অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
জান্নাতে কি ঘুমের প্রয়োজন হবে? জান্নাতবাসীরা কি পৃথিবীর মতো রাত-দিনের পালাবদলে ঘুমাবে? এ বিষয়ে কোরআন ও হাদিসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
ইসলামের একটি মৌলিক বিধান হলো, হারাম বলে নির্ধারণ হয়নি—এমন সব বিষয়ই বৈধ বা হালাল। তবে সন্দেহজনক বস্তু থেকে বিরত থাকা উত্তম।
কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা ও কর্মীর অধিকার নিশ্চিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি বড় ইবাদত।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা, না জেনে শেয়ার দেওয়া কিংবা কাউকে সাইবার বুলিং করা আমরা খুব সাধারণ ভাবলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এগুলো ভয়াবহ অপরাধ।
জেনে বা না জেনে করা নিষিদ্ধ কাজগুলো আমাদের উপার্জনের বরকত নষ্ট করে দিতে পারে। চলুন জেনে নিই ব্যবাসায় ইসলামের নিষিদ্ধ ১০টি দিক।
ধর্ষণ প্রতিরোধে ইসলাম বহুমাত্রিক দর্শন উপস্থাপন করেছে, যেখানে মনস্তাত্ত্বিক আত্মশুদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং দৃষ্টান্তমূলক কঠোর ন্যায়বিচারের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
কর ফাঁকি দিলে তাতে জনগণের হক নষ্ট করার অপরাধও হয়। কেননা, কোটি মানুষের অর্থে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ঠিকই ভোগ করছেন, কিন্তু রাষ্ট্রের যে পাওনা, তা পরিশোধ করছেন না।
সম্প্রতি কোরবানির এই মহান ইবাদতের সঙ্গে নতুন একটি ব্যাপার যুক্ত হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হতে দেখা গেছে কোরবানির পশুর বিভিন্ন নাম।
অসহায়দের হাতে তুলে দেওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। তবে যারা শরিকে বা ভাগে কোরবানি করেন, তাঁদের জন্য গোশত বণ্টনের ক্ষেত্রে শরিয়তের অত্যন্ত কঠোর একটি বিধান রয়েছে।
শহুরে ব্যস্ততা এবং প্রবাসীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির বিজ্ঞাপন এখন বেশ জনপ্রিয়। ইসলামের এই আধুনিক ব্যবস্থাকে কীভাবে দেখে?
১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তির মাঝে পাঁচটি শর্ত পাওয়া গেলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব
শরিকানা কোরবানির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শরিয়তের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এসব বিষয়ে সচেতন না হলে কোরবানি সহিহ হওয়া নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলিমের ওপর জীবনে একবার হজ পালন করা ফরজ। হজের প্রস্তুতি ও আরকান-আহকাম নিয়ে পাঠকদের জরুরি কিছু জিজ্ঞাসার সমাধান দেওয়া হলো।
ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তার জন্য দুনিয়া না আখেরাতের কল্যাণ চাওয়া হচ্ছে—এই পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তের বিধান ভিন্ন ভিন্ন হয়।
এমন কোনো বিধান যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং যা সাধারণ ও বিশেষজ্ঞ—সকল স্তরের মুসলিমের কাছে স্পষ্টভাবে পরিচিত, তা অস্বীকার করা ইসলামি বিশ্বাস পরিপন্থী।
যার ওপর ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব হবে, তিনি নিজের পক্ষ থেকে যেমন আদায় করবেন, তেমনি নিজের অধীনদের পক্ষ থেকেও আদায় করবেন।
শাবান মাস শুরু হওয়ার পর প্রত্যেকের উচিত নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের বিগত রমজানের কোনো রোজা বাকি আছে কি না তা যাচাই করা।