মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং বিশদ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা।
পরিষ্কার রাতে শহর থেকে দূরে গেলে আমরা চাঁদ, বিভিন্ন গ্রহ ও অসংখ্য নক্ষত্র দেখতে পাই। এমনকি বড় শহরের আলোকদূষণের মধ্যেও কিছু উজ্জ্বল নক্ষত্র খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়। আকাশ দেখার শুরুতে একটি বিশেষ কৌশল আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। একে বলা হয় হাতের মাপের কৌশল।
রহস্যময় ডার্ক ম্যাটারের সঠিক তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা।
রাতের আকাশে লাইরিড উল্কাপাত এবং গ্রহদের কক্ষপথের পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।
সূর্যের প্রচণ্ড উত্তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।
মহাবিশ্ব কেন দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে, তার কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।
প্রায় ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা অত্যন্ত শক্তিশালী মেগা-লেজার সংকেত শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশ জয় করেন। জাতিসংঘ এই দিনকে আন্তর্জাতিক মানুষের মহাকাশযান দিবস হিসেবে পালন করে। এর মাধ্যমে মহাকাশবিজ্ঞানের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
নাসার বিজ্ঞানীরা ১২০ আলোকবর্ষ দূরে অদ্ভুত এক সৌরজগত আবিষ্কার করেছেন, যেখানে পৃথিবীর মতো দুটি গ্রহ রয়েছে এবং গ্রহবিন্যাস আমাদের সৌরজগতের উল্টো। এই আবিষ্কার গ্রহ গঠনের প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযানে অংশ নেওয়া নভোচারীরা মহাকাশের অন্ধকারে পৃথিবীকে লাইফবোটের মতো দেখে বিস্মিত হয়েছেন এবং ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। গত শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে নিরাপদে অবতরণের পর হিউস্টনে সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। অভিযানে একাধিক ঐতিহাসিক মাইলফলক গড়ে উঠেছে।
আর্টেমিস–২ অভিযানের চার নভোচারী শনিবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় মহাকাশযানের গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ হাজার কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গত পাঁচ দশকের পর প্রথম চাঁদপরিক্রমণ অভিযান।
আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযান শেষে চার নভোচারী পৃথিবীতে ফিরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে সুস্থ ও খুশি আছেন। নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই হিউস্টনে ফিরবেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। ওরিয়ন ক্যাপসুল সান ডিয়েগো উপকূলে সফলভাবে অবতরণ করেছে।
আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এই অভিযানে একাধিক নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে।
নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা। চাঁদে বসবাসে মানবদেহে মহাকর্ষ, বিকিরণ ও অন্যান্য প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞানীরা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছেন।
নাসার আর্টেমিস ২ অভিযানে চার নভোচারী চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। রকেট ও মহাকাশযানের সাফল্য সত্ত্বেও কিছু সমস্যা দেখা গেছে। এটি চাঁদে মানুষ পাঠানোর পথে আশাবাদ জাগিয়েছে।
নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের খনিজ থেকে অ্যারোসল কণা তৈরি করে ১৫ বছরে গ্রহটির তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি বাড়ানো যাবে। এটি তরল পানি ও মানব বসতির প্রথম ধাপ। কৃত্রিম চৌম্বকীয় ঢাল বায়ুমণ্ডল রক্ষা করবে।
নাসা অরোরার বৈদ্যুতিক মানচিত্র তৈরির জন্য আলাস্কা থেকে দুটি রকেট উৎক্ষেপণ করেছে। জিএনইআইএসএস অভিযানে সিটি স্ক্যানের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইলেকট্রন প্রবাহের রহস্য উদঘাটন করা হবে। এটি স্যাটেলাইট ও যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি রোধে সহায়ক হতে পারে।
আর্টেমিস ২ মিশনে কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স দিয়ে চাঁদের চেবিশেভ ক্রেটারের অসাধারণ ছবি তুলে বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন। নাসার নভোচারীরা প্রথমবার স্মার্টফোন নিয়ে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। ছবিগুলো নাসার ফ্লিকারে পাওয়া যাচ্ছে।
আর্টেমিস-২ অভিযানের চার নভোচারী চাঁদের পেছনে পৌঁছে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। তারা এখন পৃথিবীর পথে ফিরছেন এবং ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করবেন। তাঁদের ফিরতে প্রায় চার দিন সময় লাগবে।
নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানে চাঁদের পেছনে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় নভোচারীদের অনুভূতি জানতে চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁরা পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায় পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। অভিযান শেষে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প।
আর্টেমিস–২ অভিযানের নভোচারীরা চাঁদের পেছন দিকে পৌঁছে পৃথিবী থেকে ৪ লাখ ৬ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার দূরত্বে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। এটি অ্যাপোলো–১৩-এর ৫৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙেছে।
ধূমকেতু সি/২০২৬ এ১ (ম্যাপস) সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক লাখ মাইল দূরে গিয়ে অক্ষত ফিরে এসেছে। এটি এখন পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে দিগন্তের কাছে এর উপস্থিতি লক্ষ করা সম্ভব।
জাপানের হায়াবুসা-২ মিশনের রিউগু গ্রহাণুর ধুলোয় ডিএনএ-আরএনএ গঠনকারী পাঁচটি নাইট্রোজেন বেস আবিষ্কৃত হয়েছে। এই আবিষ্কার পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি মহাকাশ থেকে হতে পারে এমন সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করে। নেচার অ্যাস্ট্রোনমিতে প্রকাশিত গবেষণায় এসব উপাদানের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে।
আর্টেমিস-২ নভোচারীরা চাঁদপ্রদক্ষিণের শেষ প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। শনিবার তারা নাশতা করে দিন শুরু করেছেন এবং নতুন ছবি তোলায় মগ্ন। চাঁদের অপর পাশ দেখে তারা মুগ্ধ।